রবিবার সকাল থেকেই কলকাতায় ইডির তল্লাশি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি এবং বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (ED Raid)। একই সঙ্গে ইডির একটি দল যায় উৎকর্ষ বাংলা কেন্দ্রেও। তবে সেখানে গিয়ে দেখা যায় দরজা বন্ধ, বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে অপেক্ষা করছেন আধিকারিকরা।
সূত্রের খবর, সোনা পাপ্পুকে ঘিরে প্রতারণা ও জালিয়াতির একাধিক মামলার সূত্র ধরেই এই অভিযান (ED Raid)। সেই কারণেই রবিবার ভোরে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডি। এর আগেও তাঁকে একাধিকবার দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি বলে জানা গিয়েছে। এরপর সরাসরি তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
তদন্তকারীদের দাবি, বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারের সূত্র ধরেই এই তল্লাশির সূত্রপাত (ED Raid)। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও নথি হাতে পেয়েছিল ইডি। সেখান থেকেই উঠে আসে একাধিক নাম। স্থানীয়দের মতে, জয় কামদার মূলত প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এর আগেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছিল এবং বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেই নথি ঘেঁটেই কয়েকজন পুলিশ আধিকারিকের নাম সামনে আসে বলে সূত্রের দাবি।
অন্যদিকে, সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশির সময়ই এই ব্যবসায়ীর নাম উঠে আসে তদন্তে (ED Raid)। এরপর জয় কামদার এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সমন পাঠানো হয়। তবে গৌরব লাল ছাড়া অন্য কেউ হাজিরা দেননি বলে জানা যায়। জয় কামদার এবং শান্তনু সিনহা বিশ্বাস দু’বারই তলব এড়িয়ে যান।
এই পরিস্থিতিতে রবিবার ভোরেই সিজিও কমপ্লেক্স থেকে একাধিক দল নিয়ে বেরিয়ে পড়ে ইডি। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তারপরই একযোগে এই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। তদন্তে নতুন কী তথ্য উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর সবার।













