Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • দেশ
  • চাণক্যের নাম টেনে তোপ! সংসদে প্রিয়াঙ্কার মন্তব্যে হাসির রোল
দেশ

চাণক্যের নাম টেনে তোপ! সংসদে প্রিয়াঙ্কার মন্তব্যে হাসির রোল

priyanka gandhi vardhra
Email :4

লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে তুমুল বিতর্কের মাঝে কেন্দ্রকে কড়া আক্রমণ করলেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi)। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কংগ্রেস এই বিলকে সমর্থন করে, কিন্তু এর আড়ালে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলেই তাঁদের আপত্তি। তাঁর বক্তব্যে কৌতুকের ছোঁয়াও ছিল, যা নিয়ে সংসদে হাসির রোল পড়ে যায়।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi) বলেন, এই বিল আসলে নির্বাচনে সুবিধা পাওয়ার জন্য সরকারের বড় হাতিয়ার। প্রধানমন্ত্রী আগে বলেছেন তাঁদের দল মহিলাদের অধিকার রক্ষায় সবথেকে এগিয়ে, কিন্তু বাস্তবে সংবিধানকে দুর্বল করে নিজেদের দলকে শক্তিশালী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্যে শাসকদলের সদস্যরা হাসাহাসি করলে তিনি পাল্টা বলেন, আজ যদি চাণক্য বেঁচে থাকতেন, তিনিও এই কৌশল দেখে অবাক হতেন।

তিনি (Priyanka Gandhi) আরও বলেন, মহিলারা খুব সহজেই বুঝতে পারেন কে সত্য বলছেন আর কে মিথ্যা বলছেন, তাই এই বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন, এই বিল পাশ হওয়ার সময় কংগ্রেস সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছিল এবং ভবিষ্যতেও মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা থাকবে।

তবে তাঁর প্রশ্ন, বর্তমানে লোকসভার পাঁচশো তেতাল্লিশটি আসনের মধ্যেই কেন তেত্রিশ শতাংশ সংরক্ষণ দেওয়া যাচ্ছে না। তাঁর মতে, এই বিলের সঙ্গে আসন পুনর্বিন্যাস জুড়ে দিলে গণতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে। তিনি ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় থেকেই নারী-পুরুষ সমানাধিকারের কথা বলা হয়েছে এবং সেই ভিত্তিতেই গণতন্ত্র গড়ে উঠেছে (Priyanka Gandhi)।

এদিনের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীও বিরোধীদের আক্রমণ করে বলেন, অতীতে যারা এই সংরক্ষণের বিরোধিতা করেছে, তাদের জনগণ শাস্তি দিয়েছে। তাঁর দাবি, মহিলাদের এই অধিকার কোনও দয়া নয়, এটি তাঁদের প্রাপ্য (Priyanka Gandhi)।

কেন্দ্রের প্রস্তাব অনুযায়ী, লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়িয়ে আটশো পঞ্চাশ করা হতে পারে, যার ফলে সংরক্ষণ কার্যকর করা সহজ হবে। তবে এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করছে বিরোধী দলগুলি, বিশেষ করে দক্ষিণের রাজ্যগুলি। তাদের আশঙ্কা, এই পদক্ষেপে উত্তর ভারতের প্রভাব আরও বাড়বে এবং দক্ষিণের প্রতিনিধিত্ব কমে যাবে।

এই বিতর্ক ঘিরে সংসদে উত্তেজনা বাড়ছে এবং রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts