Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • দেশ
  • নারী সংরক্ষণে সমর্থন, তবু বিরোধিতা! সংসদে বড় লড়াইয়ের ইঙ্গিত
দেশ

নারী সংরক্ষণে সমর্থন, তবু বিরোধিতা! সংসদে বড় লড়াইয়ের ইঙ্গিত

rahul gandhi and kharge
Email :7

নারী সংরক্ষণ নিয়ে সমর্থন থাকলেও প্রস্তাবিত বিলের (Woman Reservation Bill) পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি তুলেছে বিরোধী জোট। সংসদের বিশেষ অধিবেশনে এই বিলের বিরোধিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে জানিয়েছেন, তাঁরা সকলেই নারী সংরক্ষণের পক্ষে, কিন্তু যেভাবে বিলটি আনা হচ্ছে তা নিয়ে তাঁদের আপত্তি রয়েছে।

খাড়গের অভিযোগ, এই বিল (Woman Reservation Bill) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে বিরোধী দলগুলিকে চাপে ফেলতে চাইছে কেন্দ্র। তিনি বলেন, নারী সংরক্ষণ প্রয়োজন, কিন্তু সেটিকে সীমানা পুনর্বিন্যাসের সঙ্গে জুড়ে দেওয়াটা ঠিক নয়।

আগামী তিন দিনের জন্য সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এই অধিবেশনেই নারী সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংশোধনী বিল পেশ করা হবে। বিলটি পাশ হলে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে।

বিরোধীদের দাবি, নারী সংরক্ষণ বিলের (Woman Reservation Bill) সঙ্গে সীমানা পুনর্বিন্যাসের বিষয়টি যুক্ত করায় সমস্যা তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, এই দুই বিষয় একসঙ্গে আনা হলে গণতান্ত্রিক কাঠামোর ক্ষতি হতে পারে।

খসড়া অনুযায়ী, লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করা হতে পারে। এর মধ্যে ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হবে। একইসঙ্গে ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে নতুন করে লোকসভা কেন্দ্রগুলির সীমানা নির্ধারণ করা হবে।

শুধু লোকসভা নয়, রাজ্যগুলির বিধানসভাতেও একইভাবে ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব রয়েছে। ফলে বিভিন্ন রাজ্যে আসন সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

তবে বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী নতুন জনগণনার ভিত্তিতেই সীমানা পুনর্বিন্যাস হওয়ার কথা। কিন্তু কেন্দ্র চাইছে ২০২৬ সালের জনগণনার জন্য অপেক্ষা না করে পুরনো তথ্যের ভিত্তিতেই এই কাজ করতে। এই কারণেই আলাদা করে সীমানা পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত বিলও আনা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে নারী সংরক্ষণ বিল ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও বাড়তে চলেছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts