Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • কোথায় যাচ্ছেন সব নজরে থাকবে! কোন কোন শর্তে জামিন পেলেন সুদীপ্ত সেন
রাজ্য

কোথায় যাচ্ছেন সব নজরে থাকবে! কোন কোন শর্তে জামিন পেলেন সুদীপ্ত সেন

sudipto sen 1
Email :4

দীর্ঘ ১৩ বছর জেলে থাকার পর অবশেষে জামিনে মুক্তি পেতে চলেছেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন (Sudipto Sen)। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ শর্তসাপেক্ষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবারই জেল থেকে ছাড়া পেতে পারেন তিনি (Sudipto Sen)।

২০১৩ সালের ২৩ এপ্রিল কাশ্মীরের সোনমার্গ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ঠিক ১৩ বছর পর সেই এপ্রিল মাসেই তাঁর জেলমুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে (Sudipto Sen)।

সারদা কেলেঙ্কারিতে সুদীপ্ত (Sudipto Sen) সেনের বিরুদ্ধে মোট ৩৮৯টি মামলা দায়ের হয়েছিল। এর মধ্যে ৭৭টি মামলা সিবিআইয়ের হাতে যায়। বাকি অধিকাংশ মামলায় আগেই জামিন পেয়েছিলেন তিনি। রাজ্য পুলিশের হাতে থাকা শেষ দুটি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারেনি রাজ্য। এমনকি একটি মামলার ফাইল হারিয়ে যাওয়ার কথাও জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতেই আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করে।

আদালত জানিয়েছে, সুদীপ্ত সেনকে তাঁর পাসপোর্ট জমা দিতে হবে এবং অনুমতি ছাড়া রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে বারাসত থানায় নিজের ঠিকানা জানাতে হবে এবং মাসে একবার থানায় হাজিরা দিতে হবে। আদালত বা পুলিশকে না জানিয়ে তিনি বাসস্থান পরিবর্তন করতে পারবেন না।

এছাড়াও তাঁকে কোনও আর্থিক সংস্থা, বিনিয়োগ প্রকল্প বা বিপণন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকা নিষিদ্ধ করা হয়েছে (Sudito Sen)। তিনি কোনওভাবেই সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নিতে বা জমা সংগ্রহ করতে পারবেন না। মামলার সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা বা কাউকে প্রভাবিত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই শর্ত ভাঙলে তাঁর জামিন বাতিল করা হবে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ হিসেবে আদালত জানিয়েছে, তাঁর উপর ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল নজরদারি চালানো হবে। তাঁকে সব সময় মোবাইলের লোকেশন চালু রাখতে হবে, যাতে তদন্তকারীরা তাঁর গতিবিধি নজরে রাখতে পারেন।

একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছে, হারিয়ে যাওয়া মামলার নথি দ্রুত পুনর্গঠন করতে হবে এবং চার সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। নিম্ন আদালতকে প্রতিদিন শুনানি চালানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুদীপ্ত সেনের আইনজীবী জানান, ১৩ বছরেও রাজ্য ট্রায়াল শুরু করতে পারেনি, যা জামিনের বড় কারণ। অন্যদিকে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, দীর্ঘদিন ট্রায়াল না হলে কাউকে আটকে রাখা যায় না, এটাই সংবিধানের নিয়ম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts