যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে জ্বালানির সঙ্কট ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার (LPG Crisis) নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ। কেন্দ্র পর্যাপ্ত জোগানের চেষ্টা করলেও, কালোবাজারি ও অবৈধ মজুতের কারণে অনেক জায়গায় গ্রাহকদের দ্বিগুণ বা তিনগুণ দাম দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (LPG Crisis)। এখন থেকে আর কোনওভাবেই গুদাম থেকে সরাসরি গ্যাসের সিলিন্ডার কেনা যাবে না। যদি কোনও ডিস্ট্রিবিউটর বা ব্যক্তি গুদাম থেকে সিলিন্ডার বিক্রি করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে (LPG Crisis)।
দিল্লির তেল বিপণন সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই সমস্ত ডিস্ট্রিবিউটরদের এই বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে। বলা হয়েছে, স্টোরেজ পয়েন্ট বা গুদাম থেকে সিলিন্ডার বিক্রি সম্পূর্ণ বেআইনি (LPG Crisis)। মূল উদ্দেশ্য হল অবৈধ বিক্রি, মজুত এবং কালোবাজারি বন্ধ করা। গ্রাহকদের শুধুমাত্র বুকিংয়ের মাধ্যমে গ্যাস নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
সাধারণ মানুষকেও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, গুদামে গিয়ে কোনওভাবেই সিলিন্ডার সংগ্রহ করা যাবে না। বুকিং করার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই বাড়িতে সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়া হবে।
গৃহস্থ ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে ছোট পাঁচ কেজির সিলিন্ডারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়ে গ্যাস এজেন্সি থেকে এই সিলিন্ডার কেনা যাবে। এর জন্য ঠিকানার প্রমাণ লাগবে না, ফলে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য এটি বিশেষভাবে সুবিধাজনক হবে।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছেন, সেখানে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বুকিং করার প্রায় সাড়ে চার দিনের মধ্যেই গ্রাহকদের কাছে সিলিন্ডার পৌঁছে যাচ্ছে।
মেটা বিবরণ: এলপিজি সিলিন্ডার সঙ্কটের মাঝে বড় সিদ্ধান্ত, গুদাম থেকে সরাসরি গ্যাস বিক্রি বন্ধ, কালোবাজারি রুখতে কড়া পদক্ষেপ, জানুন নতুন নিয়ম।









