ভোটের আবহে আবারও বড় প্রশাসনিক রদবদল করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। আগেই রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছিল (Election Commission)। সরানো হয়েছিল পুলিশ কমিশনার, রাজ্যের পুলিশ প্রধান এবং বহু বিডিওকে। এবার ডেপুটি সিইও পদেও বদল করা হল।
এই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সুব্রত পালকে। তাঁকে স্বাস্থ্য দফতরে বদলি করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাহুল নাথকে। ভোটের সময় এমন হঠাৎ সিদ্ধান্তে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সুব্রত পাল দীর্ঘদিন ধরে এই দফতরে কাজ করছিলেন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্বে যুক্ত ছিলেন (Election Commission)। এমনকি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ পালের কলকাতা সফরের সময়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছিলেন। তখন তাঁর কাজের প্রশংসাও করা হয়েছিল। কিন্তু ভোট যখন পুরোদমে চলছে, সেই সময়ই হঠাৎ তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হল কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে (Election Commission)।
অন্যদিকে, নতুন ডেপুটি সিইও রাহুল নাথ আগেও এই দায়িত্বে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে তাঁকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছিল। এবার আবার তাঁকে ফিরিয়ে আনা হল।
তবে এই বদলির নির্দিষ্ট কারণ এখনও জানানো হয়নি। ফলে রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে প্রশাসনিক স্তরেও নানা জল্পনা চলছে।
উল্লেখ্য, ভোটের আগে থেকেই রাজ্যের প্রশাসনে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। রবিবারই একসঙ্গে চুরাশি জন বিডিওকে বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রামের বিডিওকেও সরানো হয়েছে বলে খবর। এর আগে কলকাতার পুলিশ কমিশনার থেকে রাজ্যের পুলিশ প্রধান পর্যন্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে।
ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়েছে। তবে তার আগেই নবান্নও রাজ্য পুলিশের মধ্যে কিছু রদবদল করেছিল। জানা গিয়েছে, সাতাশ জন ইন্সপেক্টর এবং বারোটি থানার আইসি-কে বদলি করা হয়েছিল।
সব মিলিয়ে ভোটের আগে প্রশাসনে এই ধারাবাহিক পরিবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল এবং জল্পনা আরও বেড়ে চলেছে।













