পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। ইরান, আমেরিকা এবং ইজরায়েলের সংঘাত ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে সারা বিশ্বে। এই অবস্থায় জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বড় বার্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকার (LPG Crisis)।
কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, দেশে জ্বালানি বা তেলের কোনও ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। সাধারণ মানুষকে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে (LPG Crisis)।
পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচা তেল ইতিমধ্যেই মজুত রয়েছে। তেল সংস্থাগুলি আগে থেকেই আমদানি করে রেখেছে, যাতে সরবরাহে কোনও সমস্যা না হয়। সরকার জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি ভাণ্ডার স্থিতিশীল রয়েছে (LPG Crisis)।
ইরান ও আমেরিকার সংঘাতের পর ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়। এই পথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহণ হয়। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে ভারতীয় জাহাজগুলিকে ওই পথে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে (LPG Crisis)।
কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারত একাধিক দেশের কাছ থেকে তেল কেনে। বর্তমানে ৪০টিরও বেশি দেশ থেকে কাঁচা তেল আমদানি করা হচ্ছে। ইরানের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর অন্য দেশ থেকেও জ্বালানি কেনা হচ্ছে। দেশের ভিতরে থাকা তেল শোধনাগারগুলিও পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করছে।
সব মিলিয়ে দেশের কাছে প্রায় ৭৪ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে। এর মধ্যে কাঁচা তেল, পরিশোধিত তেল এবং কৌশলগত ভাণ্ডার সবই রয়েছে। সরকারি সূত্রে দাবি, যুদ্ধ চললেও আগামী কয়েক মাসে জ্বালানি সঙ্কটের কোনও সম্ভাবনা নেই।
ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় তেল পরিশোধনকারী দেশ হলেও অধিকাংশ তেল আমদানি করতে হয়। তবুও বর্তমান পরিস্থিতিতে আমেরিকা, রাশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশ থেকে জ্বালানি আনা হচ্ছে এবং তা ইতিমধ্যেই দেশের পথে রয়েছে।
সরকারের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কোথাও পেট্রোল, ডিজেল বা রান্নার গ্যাসের অভাব নেই। তাই গুজবে কান না দিয়ে সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।










