আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় তৎপর হয়েছে স্বাস্থ্য ভবন (RG Kar)। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, কেন লিফটের ভিতরে কোনও কর্মী উপস্থিত ছিল না, সেই সব বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে। আগামী সোমবার সকালের মধ্যে এই রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে (RG Kar)।
স্বাস্থ্য ভবনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই ব্যক্তির গতিবিধি, তিনি কোথায় গিয়েছিলেন এবং কার সঙ্গে ছিলেন, সেই সব তথ্যও রিপোর্টে দিতে হবে। পাশাপাশি লিফটের ভিতরের সিসিটিভি ফুটেজও জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (RG Kar)।
এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিন জন লিফট কর্মী এবং দুই জন নিরাপত্তারক্ষীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ (RG Kar)।
স্বাস্থ্য ভবন আরও জানতে চেয়েছে, যখন ওই ব্যক্তি লিফটে আটকে পড়েন, তখন তাঁর সঙ্গে থাকা শিশু ও মহিলারা বেরিয়ে আসতে পারলেও তিনি কেন বেরোতে পারলেন না। এই বিষয়েও বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (RG Kar)।
সূত্রের খবর, লিফটের রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকমতো করা হচ্ছিল কি না, কতদিন অন্তর তা পরীক্ষা করা হত, এবং দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলি কতটা সচেতন ছিল, সে সব বিষয়ও রিপোর্টে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নাগেরবাজারের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ছেলের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছিলেন। ছেলের হাত ভেঙে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনি লিফটে নীচে নামছিলেন। কিন্তু অন্যরা বেরিয়ে এলেও তিনি লিফটের ভিতরেই আটকে পড়েন। অনেকক্ষণ পর তাঁকে উদ্ধার করা হলে জানা যায়, তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
এই ঘটনায় হাসপাতালের পরিষেবা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলে ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।











