গেরুয়া ঝড়ে রাজ্যে একেবারে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ঘাসফুল শিবির (Party Office)। গত পনেরো বছরে যে কোনও নির্বাচনের পর রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের প্রভাবই ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু এবার ছবিটা সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। এতদিন তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরোধীদের দলীয় কার্যালয় দখলের অভিযোগ উঠত, এবার একই অভিযোগ উঠছে বিজেপির বিরুদ্ধে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই নতুন করে সক্রিয় হয়েছে কংগ্রেস। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি পোস্ট ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, নদিয়া ও উত্তর চব্বিশ পরগণার একাধিক জায়গায় কংগ্রেস কর্মীরা তাঁদের পুরনো দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করেছেন। অভিযোগ, ২০১১ সালের পর সেই সব অফিস তৃণমূল দখল করে রেখেছিল (Party Office)।
এবারের নির্বাচনে কংগ্রেস খুব বেশি আসন না পেলেও, তৃণমূলের দুর্বল অবস্থার সুযোগ নিতে দেরি করেনি তারা। ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে, নদিয়ার নতিডাঙায় তৃণমূলের নাম ও প্রতীক মুছে দিয়ে কংগ্রেস কর্মীরা অফিস নিজেদের দখলে নিচ্ছেন। এক কর্মী দাবি করেছেন, বহু বছর ধরে এই অফিস তাঁদের হাতছাড়া ছিল (Party Office)।
আরও একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, করিমপুরে তালা ভেঙে অফিসে ঢুকছেন কংগ্রেস কর্মীরা। সেখানে স্লোগান দিতেও শোনা গিয়েছে। একই ধরনের দৃশ্য সামনে এসেছে উত্তর চব্বিশ পরগণার ব্যারাকপুর থেকেও, যেখানে তৃণমূলের দখলে থাকা অফিস ফের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে কংগ্রেস।
এই সব ভিডিও সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। কেউ বলছেন, রাজ্যে নতুন করে গণতন্ত্রের চর্চা শুরু হয়েছে। আবার অনেকে মনে করছেন, পালাবদলের পর দখল রাজনীতির নতুন অধ্যায় শুরু হল বাংলায়। পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, এখন সেটাই দেখার।











