শুক্রবার দুপুরে আচমকাই ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে উঠল কলকাতা। দুপুর প্রায় একটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ কম্পন অনুভূত হয় এবং প্রায় দশ সেকেন্ডের বেশি সময় ধরে মাটি কাঁপতে থাকে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল পাঁচ। জানা গিয়েছে, এই কম্পনের উৎস ছিল বাংলাদেশের খুলনা (Earthquake)। ভরদুপুরে আচমকা কম্পন শুরু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শহরজুড়ে। অফিসপাড়া ও বহুতল ভবন থেকে দ্রুত রাস্তায় নেমে আসেন বহু মানুষ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে বড় বিপদ হলো আতঙ্ক (Earthquake)। ভয় পেয়ে দৌড়াদৌড়ি করলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে। ঘরের ভেতরে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে নিচে বসে পড়া এবং মজবুত টেবিল বা আসবাবের নিচে আশ্রয় নিয়ে মাথা ও ঘাড় রক্ষা করা জরুরি। কম্পন (Earthquake) থামা পর্যন্ত সেই আসবাব শক্ত করে ধরে থাকতে হবে। জানলার কাচ, আলমারি, ঝাড়লন্ঠন বা দেওয়ালে ঝোলানো ভারী জিনিস থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন, কারণ এগুলো ভেঙে পড়ে গুরুতর আঘাত করতে পারে। এই সময় লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি ব্যবহার করাই নিরাপদ, কারণ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে লিফটে আটকে পড়ার ঝুঁকি থাকে। ঘরের বাইরে থাকলে বহুতল ভবন, বৈদ্যুতিক খুঁটি, বড় গাছ বা উড়ালপুল থেকে দূরে ফাঁকা জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা উচিত।
কম্পন থেমে গেলে ঘরের গ্যাসের নব বন্ধ আছে কি না এবং বিদ্যুতের লাইনে কোনও সমস্যা হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা দরকার। গ্যাস লিকের আশঙ্কা থাকলে দেশলাই বা লাইটার জ্বালানো বিপজ্জনক হতে পারে। বড় ভূমিকম্পের পরে ছোট ছোট আফটার শক হওয়া স্বাভাবিক, তাই প্রথম কম্পন থামলেই নিশ্চিন্ত হওয়া ঠিক নয়। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সরকারি সতর্কবার্তা ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ মাধ্যমের তথ্যের উপর নজর রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।













