Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • পাঁচ দিন দরজা বন্ধ, শেষে মিলল নিথর দেহ, খুনের অভিযোগে তোলপাড় কল্যানী মেডিক্যাল কলেজ
জেলা

পাঁচ দিন দরজা বন্ধ, শেষে মিলল নিথর দেহ, খুনের অভিযোগে তোলপাড় কল্যানী মেডিক্যাল কলেজ

dead body a
Email :4

কল্যাণীর হস্টেল কক্ষে পচাগলা দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে (Student Death)। মৃত পুলক হালদার, বাড়ি মগরাহাটে। তিনি কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ-এর চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বন্ধ দরজার আড়ালে তাঁর নিথর দেহ পড়ে ছিল, তা প্রথমে কেউ বুঝতেই পারেননি। অন্য পড়ুয়াদের নাকে দুর্গন্ধ পৌঁছনোর পর বিষয়টি সামনে আসে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সহপাঠীরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন (Student Death)। তখনই বিছানায় পড়ে থাকতে দেখা যায় পুলকের দেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও কলেজ কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার করা হয় দেহ। জানা গিয়েছে, গত কুড়ি ফেব্রুয়ারি হস্টেলের ক্যান্টিনে শেষবার খেতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তারপর থেকে ঘরেই ছিলেন বলে সহপাঠীদের দাবি।

শুক্রবার ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যেই পরিবারের সদস্যরা কল্যাণীতে পৌঁছেছেন। পুলকের বাবা সুধাংশু হালদার ও আত্মীয়রা বড় অভিযোগ তুলেছেন (Student Death)। তাঁদের দাবি, পুলকের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাই এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়, খুনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে মনে করছেন তাঁরা।

মৃতের আত্মীয়দের বক্তব্য, পুলক মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিল। তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিবারের অনেক আশা ছিল। প্রতিবেশীরাও একই দাবি করেছেন। তাঁদের কথায়, মুখে ও পিঠে দাগ দেখা গিয়েছে, তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।

পরিবারের দাবি, কুড়ি ফেব্রুয়ারি মায়ের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা বলেছিলেন পুলক। তারপর আচমকা কেন নিজেকে ঘরবন্দি করে নিলেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পাঁচ দিন ধরে তিনি বাইরে বের হননি, ক্যান্টিনেও যাননি, তা হলে হস্টেল কর্তৃপক্ষের নজরে বিষয়টি এল না কেন, সেই প্রশ্নও উঠছে।

একজন ছাত্র দীর্ঘ সময় বাইরে না এলে খোঁজ নেওয়া উচিত ছিল বলেই মনে করছেন অনেকে। রহস্যঘেরা এই মৃত্যু ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের দিকেই তাকিয়ে পরিবার ও সহপাঠীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts