তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, অনিল আম্বানির (Anil Ambani) রিলায়্যান্স গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং প্রায় বারো হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত করা হল মুম্বইয়ের পালি হিলে অবস্থিত তাঁর সতেরো তলা বাড়ি ‘অ্যাবোড’। প্রায় ছেষট্টি মিটার উঁচু এই বহুতলটি দেশের অন্যতম বিলাসবহুল আবাসন হিসেবে পরিচিত। প্রায় ষোল হাজার বর্গফুট জায়গা জুড়ে তৈরি এই বাড়ির মধ্যেই রয়েছে হেলিপ্যাড, একাধিক সুইমিং পুল ও জিমের মতো আধুনিক সুবিধা।
অভিযোগ, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া ঋণের অর্থ অন্যত্র সরানো হয়েছিল রিলায়্যান্স এডিএজি গোষ্ঠীর একাধিক সংস্থার মাধ্যমে (Anil Ambani)। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই দীর্ঘদিন ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। গত মাসে এই মামলায় অনিল আম্বানি ও তাঁর গোষ্ঠীকে নোটিস পাঠায় সুপ্রিম কোর্ট এবং এটিকে শেষ সুযোগ বলেও জানায় আদালত। একই সঙ্গে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয় সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে। তদন্তে দেরি হওয়ায় আদালত উষ্মা প্রকাশ করেছে বলেও জানা গিয়েছে।
ইতিমধ্যেই একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক অনিল আম্বানি (Anil Ambani) ও তাঁর সংস্থাগুলির অ্যাকাউন্টকে প্রতারণামূলক বলে চিহ্নিত করেছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন আদালতে মামলা চলছে। এই পরিস্থিতিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণর মাধ্যমে এক প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সচিব। অভিযোগ করা হয়, দুই হাজার সাত-আট সাল থেকে প্রতারণার ঘটনা ঘটলেও অনেক পরে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানাতে আদালতের হস্তক্ষেপের আবেদনও জানানো হয়েছে।








