অসমের কাছহার জেলায় দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর (Jawaharlal Nehru) মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা নেহরু কলেজের সামনে থাকা মূর্তিটিকে ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্রুত রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কংগ্রেস এই ঘটনার তুলনা টেনেছে বাংলাদেশের পরিস্থিতির সঙ্গে, যেখানে শেখ মুজিবুর রহমানর মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে আগে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি ভারতীয় জনতা পার্টি। কারা এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয় (Jawaharlal Nehru)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, 2000 সালে কলেজের সামনে নেহরুর (Jawaharlal Nehru) এই মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছিল । মঙ্গলবার সকালে মূর্তিটি ভাঙা দেখে বাসিন্দারা পুলিশকে খবর দেন। প্রথমে মনে করা হয়েছিল মূর্তিটি নিজে থেকেই ভেঙে পড়েছে। কিন্তু পরে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, রাতের অন্ধকারে কয়েকজন দুষ্কৃতী বুলডোজার ব্যবহার করে মূর্তিটি গুঁড়িয়ে দেয়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
স্থানীয় থানার পুলিশ আধিকারিক শংকর দয়াল জানিয়েছেন, ঘটনার প্রমাণ হাতে এসেছে এবং অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজ চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দিয়েছেন (Jawaharlal Nehru)। কংগ্রেস নেতা অভিজিৎ পাল বলেন, নেহরুর মূর্তি ভাঙচুর অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং নেহরু একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু এই ধরনের ঘটনা ইতিহাস ও গণতন্ত্রের প্রতি অসম্মান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই ঘটনা বাংলাদেশের মূর্তি ভাঙার ঘটনার স্মৃতি উসকে দেয় এবং এর পিছনে মানসিকতার মিল রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন।












