এসআইআর সংক্রান্ত শুনানি (SIR Hearing) প্রক্রিয়া চলছে রাজ্য জুড়ে। যাঁদের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় নেই, নিয়ম মেনেই তাঁদের সকলকে নোটিস পাঠাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই জানা গেল, এসআইআর নোটিস পাঠানো হয়েছে কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার প্রসূন মুখোপাধ্যায়কে। একই সঙ্গে নোটিস পেয়েছেন তাঁর পুত্র রণজিৎ মুখোপাধ্যায়ও (SIR Hearing)।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় প্রসূন মুখোপাধ্যায় এবং রণজিৎ মুখোপাধ্যায়ের নাম নেই। সেই কারণেই কমিশনের তরফে তাঁদের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রণজিৎ মুখোপাধ্যায় জানান, ২০০২ সালে তাঁর বাবা উত্তরবঙ্গে কর্মরত ছিলেন। সেই সময় প্রসূন মুখোপাধ্যায় আইজি পদে ছিলেন এবং ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত উত্তরবঙ্গেই পোস্টিং ছিল। সেই কারণেই সম্ভবত তাঁদের নাম ওই সময়ের ভোটার তালিকায় নেই (SIR Hearing)।
রণজিৎ মুখোপাধ্যায় বলেন, তাঁকে এবং তাঁর বাবাকে নির্বাচন কমিশনের তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে। ১৪ এবং ১৫ তারিখ নির্দিষ্ট এসডিও অফিসে গিয়ে প্রমাণ দিতে হবে যে তাঁরা ভোটার। তিনি জানান, নির্ধারিত দিনে হাজির না হলে তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে যেতে পারে। রণজিৎ আরও বলেন, তিনি ২০১৯ সালে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি যেভাবে দাবি করেছিল যে রোহিঙ্গা বা মুসলিমদের নাম নিয়ে সমস্যা, বাস্তবে দেখা যাচ্ছে হিন্দুদের নামই বেশি করে বাদ যাচ্ছে।
এই প্রসঙ্গেই উল্লেখযোগ্য, এর আগে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকেও এসআইআর সংক্রান্ত নোটিস পাঠানো হয়েছিল। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, অমর্ত্য সেনের নামের কিছু তথ্যগত গরমিল ধরা পড়েছিল। সেই লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সির কারণেই নোটিস পাঠানো হয়। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বুথ লেভেল অফিসার অমর্ত্য সেনের বাড়িতে গিয়ে শুনানি করবেন।
অমর্ত্য সেনকে নোটিস পাঠানো নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, ভারতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও এসআইআর শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে আগেই খবর প্রকাশ্যে আসে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে ক্রমেই বাড়ছে বিতর্ক।













