এখনও অধরা কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু। তার মধ্যেই বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রবিবার সকালে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ব্যবসায়ী জয় কামদারকে গ্রেফতার করা হয় (ED arrests)। তিনি একটি সংস্থার কর্ণধার। তবে গ্রেফতারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিন ভোরে বেহালায় জয় কামদারের বাড়িতে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। কয়েকদিন আগেই ওই বাড়ি থেকে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছিল। একই দিনে সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকেও অস্ত্র পাওয়া যায় বলে জানা যায়। এদিন জয় কামদারের বাড়ির পাশাপাশি এক পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়।
সকাল নাগাদ জয় কামদারকে তদন্তকারীরা দফতরে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন (ED arrests)। কয়েক ঘণ্টা পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত আর্থিক মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতারি।
গ্রেফতারের পর ব্যাঙ্কশাল আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় জয় কামদার অসুস্থ হয়ে পড়েন। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ফলে সেদিন তাঁকে আদালতে পেশ করা সম্ভব হয়নি। তদন্তকারী সংস্থার তরফে আদালতে জানানো হয়, ধৃত ব্যক্তি অসুস্থ হওয়ায় তাঁকে হাজির করা যায়নি, তবে মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন (ED arrests)।
তদন্তকারীরা আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত ব্যবসায়ী বিশেষ কিছু বলেননি। তবে ডিজিটাল তথ্য ও নথি থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র মিলেছে। অন্যদিকে, ধৃতের আইনজীবীর দাবি, নিয়ম মেনে গ্রেফতার করা হয়নি। এই অভিযোগ অবশ্য খারিজ করে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, সব আইনি নিয়ম মেনেই গ্রেফতার করা হয়েছে।
দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত নির্দেশ দেয়, সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত জয় কামদারকে হাসপাতালে রেখেই হেফাজতে রাখতে হবে। পাশাপাশি নজরদারির জন্য বাহিনী মোতায়েন করা যাবে। আদালত আরও জানায়, পরদিন অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করতে হবে, অথবা তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত নথি জমা দিতে হবে।









