Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • জেলা
  • তিলোত্তমার পর এবার তামান্না! নতুন সরকারের কাছে সুবিচারের আর্জি মায়ের
জেলা

তিলোত্তমার পর এবার তামান্না! নতুন সরকারের কাছে সুবিচারের আর্জি মায়ের

tamanna family
Email :2

রাজ্যে সরকার বদলের পর ফের নতুন করে চর্চায় আরজি কর কাণ্ড। তিলোত্তমা খুন ও ধর্ষণ মামলায় তিন জন হেভিওয়েট আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করেছে নতুন সরকার। এই ঘটনায় সুবিচারের আশা আরও জোরালো হয়েছে নির্যাতিতার পরিবারের মধ্যে। একইসঙ্গে এবার ন্যায়বিচারের আশায় মুখ খুললেন কালীগঞ্জের তামান্নার মা (Tamanna Mother) সাবিনা ইয়াসমিনও।

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আরজি কর মামলায় সেই সময়ের প্রশাসনিক ভূমিকা খতিয়ে দেখা হবে। ফোন কল রেকর্ড, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট-সহ সমস্ত তথ্য তদন্তের আওতায় আনা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এমনকি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর কোনও নির্দেশ ছিল কি না, সেটাও দেখা হবে বলে স্পষ্ট করেছেন শুভেন্দু।

এই পরিস্থিতিতেই নতুন করে আশার আলো দেখছেন তামান্নার মা (Tamanna Mother)। এবারের নির্বাচনে কালীগঞ্জ থেকে সিপিএমের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। যদিও জিততে পারেননি, তবুও মেয়ের মৃত্যুর বিচার পাওয়ার আশায় এখনও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

সাবিনা ইয়াসমিন (Tamanna Mother) বলেন, “আমি এখনও অপেক্ষা করছি। নতুন সরকার এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী নিশ্চয়ই আমার মেয়ের বিচারও দেখবেন। আমি তিলোত্তমার মাকেও বলেছি বিষয়টা বিধানসভায় তোলার জন্য। আশা করছি তামান্নার বিচারও হবে।”

তিনি আরও দাবি করেন, “ঘটনাটা আমাদের চোখের সামনে ঘটেছে। সব প্রমাণ রয়েছে। আমি চাই সরকার বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখুক। তিলোত্তমার ফাইল যেমন খোলা হচ্ছে, আমাদের ফাইলও তেমনভাবে খোলা হোক।”

তিন জন পুলিশ অফিসার সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনায় তিনি আশাবাদী বলেও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, “সরকার নিশ্চয়ই কিছু ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা দেখে আমারও মনে হচ্ছে, একদিন আমার মেয়ের বিচার হবে।”

প্রসঙ্গত, শেষ উপনির্বাচনের পর বিজয় মিছিল চলাকালীন বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ছোট্ট তামান্নার। অভিযোগ উঠেছিল, তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে সিপিএম সমর্থকদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয়েছিল। সেই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছিল।

এদিকে তিলোত্তমার মা-ও তামান্নার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানান, “তামান্নার মা আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি বলেছেন, আপনারা তো এখন ক্ষমতায় এসেছেন, আমার মেয়ের বিচারও করান। আমি তাঁকে আশ্বাস দিয়েছি, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিষয়টা তুলে ধরব।”

এই ঘটনাকে ঘিরে ফের নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে রাজ্যে। একইসঙ্গে বিচার পাওয়ার আশায় দিন গুনছে দুই পরিবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts