আগের সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক চাকরি পেয়েছিলেন বহু মানুষ। সরকারি দপ্তরে নিয়মিত কাজ করলেও তাঁদের চাকরি স্থায়ী ছিল না। দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন হলেও তাতে খুব একটা ফল মেলেনি। এখন রাজ্যে সরকার বদলের পর এই অস্থায়ী কর্মীদের (Civic Volunteer) মধ্যে নতুন করে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, নতুন সরকার এলে চাকরি থাকবে কি না, তা নিয়েই অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
এই মুহূর্তে রাজ্যে সরকারি চাকরির শূন্যপদ প্রায় ছয় লক্ষ বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে বিভিন্ন স্তরের স্থায়ী কর্মীর সংখ্যা অনেক কম। ফলে প্রশাসনের কাজ চালাতে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের উপরই অনেকটাই নির্ভর করতে হয় (Civic Volunteer)। বিভিন্ন দপ্তরে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, সহায়ক কর্মী থেকে শুরু করে সিভিক ভলান্টিয়ার—সব মিলিয়ে এই অস্থায়ী কর্মীর সংখ্যা কয়েক লক্ষ।
আগের সরকারের সময় তাঁদের চাকরি বজায় রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ এবং অবসরের পর কিছু সুবিধার কথাও জানানো হয়েছিল। কিন্তু সরকার বদলের পর সেই আশ্বাস কতটা কার্যকর থাকবে, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
নতুন সরকারের পক্ষ থেকে সব শূন্যপদ পূরণের কথা বলা হয়েছে (Civic Volunteer)। সেই সঙ্গে আগের সরকারের সময়ে নিয়োগ হওয়া কর্মীদের নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই কিছু দপ্তরে বিশেষ দায়িত্বে থাকা কর্মীদের অফিসে না আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে অস্থায়ী কর্মীদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, যদি হঠাৎ করে এই কর্মীদের সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে প্রশাসনের কাজ কীভাবে চলবে। কারণ বহু দপ্তরই এখন তাঁদের উপর নির্ভরশীল।
এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন কর্মী গোষ্ঠীর মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন লক্ষ লক্ষ অস্থায়ী কর্মী।












