মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দলের প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের (Sukhbir Singh Badal) উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে গভীর আঘাত পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন বলে খবর।
জানা গিয়েছে, নন্দেদের তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা সুখবীর বাদলের (Sukhbir Singh Badal) দিকে হামলাকারী এগিয়ে আসে। অভিযোগ, তাঁর পেটে ছুরি মারার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই সময় আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে সুখবীর বাদলের হাতে আঘাত লাগে। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীও হামলায় আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনার পর দ্রুত সুখবীর বাদলকে (Sukhbir Singh Badal) নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় সুখবীর বাদলকে কয়েক জন ধরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা ছিল।
পুলিশ ইতিমধ্যেই হামলাকারীকে আটক করেছে। ধৃতের নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত বলে সূত্রের দাবি। গত প্রায় দুই বছর ধরে তিনি তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে (Sukhbir Singh Badal) নিশানা করা হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
সুখবীর বাদলের উপর এর আগেও হামলার চেষ্টা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। সেই সময়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
ফলে পর পর হামলার ঘটনায় সুখবীর বাদলের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। নন্দেদের ঘটনার পিছনে ব্যক্তিগত কারণ, রাজনৈতিক বিরোধ নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।







