প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ধর্ম পরিবর্তন করেছিলেন। নতুন নাম নিয়ে শুরু করেছিলেন নতুন জীবন। কিন্তু তিন বছর পর সেই সিদ্ধান্ত বদলে আবার নিজের আগের ধর্মে ফিরে এলেন উত্তরপ্রদেশের এক যুবক (UP Man)। এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। অন্যদিকে যুবকের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্মান্তর বিরোধী আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ওই যুবকের প্রেমিকা এবং তাঁর বাবাকে (UP Man)।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শামলির বাসিন্দা আয়ুষ মালিক কয়েক বছর আগে পায়ে চোট পেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান। সেখানে তাঁর পরিচয় হয় ফিজিওথেরাপিস্ট চাঁদনি কুরেশির সঙ্গে। ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে (UP Man)।
অভিযোগ, সম্পর্কের কিছুদিন পর থেকেই চাঁদনির পরিবারের পক্ষ থেকে আয়ুষের উপর ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। পরে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণে সম্মতি দেন (UP Man)। এই সিদ্ধান্তে তাঁর পরিবারের সমর্থন ছিল না বলেই জানা গিয়েছে।
পুলিশের দাবি, দুই হাজার তেইশ সালে আয়ুষকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে ধর্মান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় (UP Man)। এরপর তাঁর নাম পরিবর্তন করে মহম্মদ আলি রাখা হয়। নতুন পরিচয়ে তিনি জীবনযাপন শুরু করেন। পোশাক, জীবনযাত্রা এবং ধর্মীয় রীতিনীতিতেও পরিবর্তন আনেন বলে জানা গিয়েছে।
তবে তিন বছর পর তিনি আবার নিজের আগের ধর্মে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। আয়ুষের দাবি, পরিবারের কষ্ট এবং মানসিক যন্ত্রণা দেখে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, তিনি পরিবারের সঙ্গে থেকে আগের জীবনেই ফিরে যেতে চান (UP Man) ।
সম্প্রতি ধর্মীয় আচার পালন করে তিনি আবার সনাতন ধর্ম গ্রহণ করেছেন বলে পরিবারের দাবি। তাঁর বাবা দেবরাজ মালিক জানান, ছেলে নিজের ইচ্ছাতেই আগের ধর্মে ফিরে এসেছে।
এই ঘটনার পর দেবরাজ মালিক পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, ধর্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে তাঁদের বিপুল পারিবারিক সম্পত্তির উপর অধিকার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ চাঁদনি কুরেশি এবং তাঁর বাবাকে ধর্মান্তর বিরোধী আইনে গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে।
অন্যদিকে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত শেষ হওয়ার পরই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে।








