পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা (Bengal Election) নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রশংসায় ভরালেন নরওয়ের কূটনীতিক এরিক সোলহেইম। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে তিনি ভারতের গণতন্ত্র এবং ভোটদানের হার নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে ভোটে অংশগ্রহণের হার ইউরোপ এবং আমেরিকার বহু নির্বাচনের তুলনায় অনেক বেশি।
২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় (Bengal Election) এবার প্রথমবারের জন্য বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়েছে বিজেপি। দলটি পেয়েছে দুইশো ছয়টি আসন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস থেমে গিয়েছে আশি আসনে।
এই ফল প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে এরিক সোলহেইম লেখেন, প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্য এটি বড় জয়। পশ্চিমা দেশগুলির ভারতের গণতন্ত্রের শক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমে বিজেপির এই জয়ের পিছনে বিপুল জনসমর্থন রয়েছে (Bengal Election)। ভোটদানের হার ছিল নব্বই শতাংশেরও বেশি, যা ইউরোপ এবং আমেরিকার সাধারণ নির্বাচনের তুলনায় অনেক বেশি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সোলহেইম আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যা প্রায় দশ কোটি ছয় লক্ষ, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনেক দেশের থেকেও বেশি। ফলে এই নির্বাচনের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক স্তরেও রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
পশ্চিমি সংবাদমাধ্যমের ভূমিকাও কটাক্ষ করেছেন নরওয়ের এই কূটনীতিক (Bengal Election)। তাঁর বক্তব্য, বিদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রায়ই প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গণতন্ত্রের জন্য বিপদ বা হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়। কিন্তু বাস্তব চিত্র একেবারেই আলাদা। তাঁর মতে, ভারতের গণতন্ত্র শুধু বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রই নয়, এটি দেশের নিজস্ব ঐতিহ্য এবং ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
তামিলনাড়ুর নির্বাচনের ফল নিয়েও মন্তব্য করেছেন এরিক সোলহেইম। অভিনেতা বিজয়ের দল নতুন শক্তি হিসেবে উঠে আসাকে তিনি বড় চমক বলে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি কেরল এবং পশ্চিমবঙ্গের ফলও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তিনি।
সবশেষে তিনি বলেন, নির্বাচনে হারলেও বিরোধীরা ফল মেনে নিচ্ছে, ভোটে অংশগ্রহণ অত্যন্ত বেশি এবং দেশের প্রত্যন্ত এলাকাতেও মানুষ ভোট দিতে পারছেন। তাঁর মতে, ভারতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে এবং মানুষ তা খোলাখুলি ব্যবহারও করছেন।











