পাঁচ বছর আগের নির্বাচনে যেখানে তৃণমূল (TMC) বিপুল আসন পেয়ে ক্ষমতায় ছিল, এবারের নির্বাচনে সেই চিত্র পুরো বদলে গেছে। একসময় দুইশোর বেশি আসন পাওয়া দল এবার অনেক কম আসনে সীমাবদ্ধ। বহু গুরুত্বপূর্ণ নেতা, মন্ত্রী এমনকি শীর্ষ নেতৃত্বও নিজেদের কেন্দ্র ধরে রাখতে পারেননি। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমানের মতো শক্ত ঘাঁটিতেও ফল খারাপ হয়েছে।
এই বড় পরাজয়ের পর দলের অন্দরেই শুরু হয়েছে তীব্র অসন্তোষ। একাধিক নেতা প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, দলের ভিতরে পরিবর্তনের নামে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, যার ফলে সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে (TMC) ।
দলের এক যুবনেতা সরাসরি অভিযোগ করেছেন, দলকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সরিয়ে অন্য পথে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা মাঠে লড়াই করেছেন, তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই কারণেই কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং তার প্রভাব পড়েছে ভোটে (TMC) ।
এক প্রাক্তন বিধায়কও জানিয়েছেন, দলের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। তাঁর মতে, শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তগুলি ঠিকমতো কার্যকর করা হলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত। তিনি আরও বলেন, বাইরে থেকে আসা কিছু লোক দলের ভিতরে প্রভাব বাড়িয়ে ফেলেছিল, যা সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায় (TMC) ।
আরও এক বিদায়ী বিধায়ক বলেন, মানুষের কাছে সবকিছুর হিসেব থাকে। কোথায় কী কাজ হয়েছে আর কোথায় হয়নি, সব মানুষ দেখেছেন। তাঁর মতে, মানুষের সমস্যার দিকে ঠিকমতো নজর দেওয়া হয়নি, ফলে তার প্রভাব ভোটে পড়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে বিরোধীরা সরব ছিল। তবে এখন দলের ভিতর থেকেই সেই সব অভিযোগ সামনে আসছে। এই পরাজয়ের পর দলের ভিতরে লুকিয়ে থাকা অসন্তোষ প্রকাশ্যে চলে এসেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।













