Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • দেশ
  • অভিযোগ অপমানের, শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা! দিল্লির বিচারকের মর্মান্তিক পরিণতি
দেশ

অভিযোগ অপমানের, শেষ পর্যন্ত আত্মহত্যা! দিল্লির বিচারকের মর্মান্তিক পরিণতি

delhi judge 1
Email :6

দিল্লিতে কর্মরত এক বিচারকের (Delhi Judge) মৃত্যুকে ঘিরে গভীর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত্যুর কয়েকদিন আগে বাবাকে ফোন করে তিনি জানিয়েছিলেন, আর বাঁচতে ইচ্ছে করছে না। সেটিই ছিল তাঁর শেষ কথা। কয়েকদিন পরেই তিনি নিজের ঘরে আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ।

মৃত বিচারকের নাম অমন শর্মা। তিনি দিল্লিতে কর্মরত ছিলেন এবং রাজস্থানের আলওয়ারের বাসিন্দা (Delhi Judge)। তাঁর মৃত্যুর পর দেহ আলওয়ারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। তাঁর বাবা নিজেই শেষকৃত্যের কাজ সম্পন্ন করেন।

পরিবারের দাবি, স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদের জেরে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। অভিযোগ, তাঁর বাবাকে অপমান করা হয়েছিল এবং সেই অপমান তিনি (Delhi Judge) সহ্য করতে পারেননি। এর জেরেই তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নেন বলে পরিবারের বক্তব্য। ঘটনার দিন তিনি ঘরের ভিতরে একটি কাপড় দিয়ে গলায় ফাঁস লাগান বলে জানা গিয়েছে।

মৃত্যুর দু’দিন আগে বাবাকে ফোন করে তিনি জানান, তাঁর পক্ষে আর বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। সেই কথা শুনে তাঁর বাবা দ্রুত দিল্লিতে পৌঁছন (Delhi Judge)। পরিবারের এক সদস্য জানান, তিনি খুবই মানসিক চাপে ছিলেন এবং বারবার বলছিলেন যে তিনি আর এই পরিস্থিতিতে থাকতে পারছেন না।

পরিবার আরও অভিযোগ করেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানসিক অত্যাচারের শিকার ছিলেন। বাড়ির অশান্তি ক্রমশ বাড়ছিল। তাঁদের দাবি, পরিবারের অন্য সদস্যদের প্ররোচনাতেও পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠে। ঘটনার সময় বাড়িতে স্ত্রীর এক আত্মীয়ও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনার পর তাঁর স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। শেষকৃত্যে শ্বশুরবাড়ির কেউ উপস্থিত ছিলেন না। তবে বিভিন্ন রাজ্যের বহু বিচারক শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হন। জানা গিয়েছে, তিনি কয়েক বছর আগে বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।

এই ঘটনায় সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে পরিবার। তাঁদের বক্তব্য, যিনি অন্যদের বিচার করেন, তাঁর সঙ্গেও যদি এমন ঘটনা ঘটে, তবে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।

পরিবার আরও জানিয়েছে, তাঁর ছোট ভাইও শারীরিক ও মানসিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় পরিবারের উপর চাপ আরও বেড়েছে। মৃত বিচারকের বাবা বলেন, তিনি সবসময় ছেলেকে সুখে দেখতে চেয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, ছেলে নিজের পছন্দেই বিয়ে করেছিলেন এবং পরিবারের পক্ষ থেকে সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হয়েছিল। তবে ব্যক্তিগত সমস্যার কথা তিনি কখনও খোলাখুলি বলেননি।

Related Tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts