আর্থিক তছরূপের মামলায় বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারকে নিজেদের হেফাজতে নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সোনা পাপ্পুর যোগসূত্র ধরে রবিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় (Joy Kamdar)। গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ হয়ে পড়লেও সোমবার আদালতে তোলা হলে তাঁকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়।
আদালতে ইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জয় কামদারের(Joy Kamdar) মোবাইল ফোন খতিয়ে দেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মোবাইলের কথোপকথন থেকেও বেশ কিছু সন্দেহজনক তথ্য উঠে এসেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই তথ্য থেকে হাওয়ালা লেনদেনের স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং দুবাইয়ের হাওয়ালা চক্রের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলেও অভিযোগ।
ইডি আরও জানায়, জয় কামদার (Joy Kamdar) সোনা পাপ্পুর অ্যাকাউন্টে প্রায় দেড় কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন। সেই টাকার মধ্যে প্রায় চল্লিশ কোটি টাকা একটি শিক্ষা সংস্থা থেকে এসেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। তবে এই টাকা কেন দেওয়া হয়েছিল, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা এখনও মেলেনি। অন্যদিকে সোনা পাপ্পুর অ্যাকাউন্ট থেকেও জয় কামদারের অ্যাকাউন্টে বিপুল অঙ্কের টাকা ঢুকেছে বলে দাবি। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে জয় জানিয়েছেন, তিনি মাত্র পনেরো লক্ষ টাকা পেয়েছেন। এই বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকায় তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, একাধিক সন্দেহজনক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের খোঁজ পাওয়া গেছে। এই অবস্থায় জয় কামদার জামিন পেলে প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেই আদালতে জানায় ইডি।
অন্যদিকে জয়ের আইনজীবী দাবি করেন, যে চারটি মামলার ভিত্তিতে তদন্ত চলছে, তার কোনও চার্জশিটেই তাঁর নাম নেই। পাশাপাশি ইডির তদন্ত পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সব দিক বিবেচনা করে আদালত আপাতত জয় কামদারকে ইডি হেফাজতেই রাখার নির্দেশ দিয়েছে।







