Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • দেশ
  • বড়সড় জঙ্গি চক্রান্ত ভেস্তে দিল তদন্তকারী সংস্থা, সামনে এল ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা
দেশ

বড়সড় জঙ্গি চক্রান্ত ভেস্তে দিল তদন্তকারী সংস্থা, সামনে এল ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা

delhi blast aa
Email :4

কাশ্মীরের স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি একটি বড় জঙ্গি ষড়যন্ত্র মামলায় দশজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে (Redfort Blast)। এই মামলাটি ‘ডাক্তার জঙ্গি চক্র’ নামে পরিচিত। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই চক্রের মধ্যে উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তিরাও ছিলেন, এমনকি চিকিৎসকও রয়েছেন। অভিযোগ, তাঁদের মধ্যে একজন চিকিৎসক দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়ি চালাচ্ছিলেন (Redfort Blast)।

এই মামলার চার্জশিট শ্রীনগরের একটি আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রথমে ঘটনাটি ছোটখাটো ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা বলে মনে হলেও পরে দেখা যায়, এটি আসলে একটি বড় এবং পরিকল্পিত জঙ্গি চক্রান্তের অংশ (Redfort Blast)। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দকে ফের সক্রিয় করার চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য একটি জঙ্গি সংগঠনের নাম ব্যবহার করে নিরাপত্তা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছি (Redfort Blast)ল। একই সঙ্গে গোপনে নিজেদের সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ চলছিল। এই চক্রের সদস্যরা ডিজিটাল মাধ্যমে উগ্রপন্থী প্রচার চালাত এবং বিস্ফোরক তৈরির জন্য বিভিন্ন উপকরণ সংগ্রহ করছিল।

তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, তারা অত্যন্ত বিপজ্জনক বিস্ফোরক পদার্থ ব্যবহার করছিল, যা বিশ্বজুড়ে একাধিক বড় জঙ্গি হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে। বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং তার উপকরণ জমা করা হয়েছিল, যা নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। সময়মতো এই চক্রান্ত ধরা না পড়লে বড় বিপর্যয় ঘটতে পারত বলেই মনে করা হচ্ছে।

এই মামলার সূত্রপাত হয়েছিল ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে, যখন শ্রীনগরের একটি এলাকায় হুমকিমূলক পোস্টার লাগানো হয়। সেই পোস্টারের মাধ্যমে ভয় ছড়ানো এবং দেশের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এরপর থেকেই তদন্ত শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে বড় চক্রের খোঁজ মেলে।

তদন্তে উদ্ধার হওয়া প্রমাণ, ডিজিটাল তথ্য, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং সাক্ষীদের বয়ানের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। এই ঘটনায় জড়িত দশজনের নাম চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই চক্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন এক চিকিৎসক, যিনি লালকেল্লার বিস্ফোরণ ঘটনায় আত্মঘাতী হামলায় মারা গিয়েছেন। এই ঘটনার সঙ্গে একই জঙ্গি নেটওয়ার্কের যোগ রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে এবং ভবিষ্যতে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Related Tag:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts