শুধু হাহাকার আর উৎকণ্ঠা। বিধ্বস্ত আনন্দপুর (Anandapur Fire)। দশ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জ্বলছে আনন্দপুরের সেই কারখানা। এখনও পর্যন্ত এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিন জন কর্মীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৬ জন। সোমবার দুপুর একটার কিছু পরে ঘটনাস্থলে (Anandapur Fire) পৌঁছন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী তথা টালিগঞ্জের বিধায়ক অরূপ বিশ্বাস। তবে ঘটনাস্থলে দেখা যায়নি দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকে। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মন্তব্য, সরকার যেন ছুটিতে রয়েছে।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমেই জ্বলন্ত কারখানা এলাকা (Anandapur Fire) পরিদর্শন করেন অরূপ বিশ্বাস। এরপর সেখানে উপস্থিত নিখোঁজ কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পরিবারের কাছ থেকে একে একে নিখোঁজদের নাম ও তথ্য সংগ্রহ করতে দেখা যায় মন্ত্রীকে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অরূপ বিশ্বাস জানান, এত বড় আগুন দ্রুত পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ধোঁয়াই এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা। দুটি গোডাউনে একসঙ্গে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। তবে পরিস্থিতি যতটা ভয়ঙ্কর হতে পারত, তার আগেই অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এই ঘটনার পর কলকাতার বুকে এমন বড় কারখানায় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার অভাব নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। জানা গিয়েছে, ওই কারখানা থেকে একাধিক ড্রাম ভর্তি পাম তেল উদ্ধার হয়েছে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, এই পাম তেলের কারণেই আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে সেখানে যথাযথ অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এই প্রশ্ন করা হলে কিছুটা বিরক্ত হন বিদ্যুৎমন্ত্রী। তিনি বলেন, এখনই এই বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। পুলিশ, প্রশাসন এবং দমকল পুরোপুরি ভিতরে ঢুকে তদন্ত না করা পর্যন্ত কী ছিল আর কী ছিল না, তা বলা যাবে না।










