Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • ইডির অভিযানে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ? প্রতীক জৈনের বাড়ি ঘিরে তীব্র সংঘাত
রাজ্য

ইডির অভিযানে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ? প্রতীক জৈনের বাড়ি ঘিরে তীব্র সংঘাত

suvendu adhikari aaa
Email :70

আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশি ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে রাজ্যে। দিল্লির একটি আর্থিক প্রতারণা মামলার সূত্র ধরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে আসে। তল্লাশি চলাকালীন প্রথমে সেখানে পৌঁছন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভর্মা। তাঁর কিছুক্ষণের মধ্যেই আচমকা প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কেন্দ্রীয় সংস্থার তল্লাশি চলার মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির ভিতরে প্রবেশ রাজ্যের রাজনীতিতে নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকেই। কিছুক্ষণ পর মুখ্যমন্ত্রী প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন হাতে একটি সবুজ রঙের ফাইল নিয়ে। বেরিয়েই তিনি তীব্র অভিযোগ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর দলের স্ট্র্যাটেজি, প্রার্থী তালিকা ও রাজনৈতিক পরিকল্পনার হার্ড ডিস্ক হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই তল্লাশি চালিয়েছেন (Suvendu Adhikari)।

মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একদিকে যখন মুখ্যমন্ত্রী প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে গডরেজ ওয়াটারসাইডে আইপ্যাকের অফিসের দিকে রওনা দিচ্ছেন, ঠিক সেই সময়েই সাংবাদিকদের সামনে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ইডির উচিত আইন মেনে এবার মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করা (Suvendu Adhikari)।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এর আগেও কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ করেছেন। ২০২১ সালে নিজাম প্যালেসে ইডির দফতরে ধরনায় বসার কথাও স্মরণ করান তিনি। ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং মদন মিত্রদের গ্রেফতারির প্রতিবাদে সেই ধরনার কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু। পাশাপাশি সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশির সময় ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধরনায় বসার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন তিনি।

শুভেন্দুর বক্তব্য, একজন মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এই ধরনের আচরণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার শামিল। তাঁর দাবি, ইডির কাছে ক্ষমতা রয়েছে এবং আইন মেনেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শুভেন্দুর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশ কমিশনারের এইভাবে তদন্ত চলাকালীন সেখানে যাওয়াকে তিনি অসাংবিধানিক ও অনৈতিক বলে মনে করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts