শহরের দুই নামী সরকারি হাসপাতালে পরপর দুই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে (Youth Death)। এসএসকেএম হাসপাতালে এক সাফাইকর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের নাম ইমরান সর্দার, বয়স একুশ বছর। তিনি চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে (Youth Death)।
হাসপাতালের নতুন বহির্বিভাগ ভবনের তিনতলা থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের ঘরটি ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। ঘটনার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়েছে (Youth Death)। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি সহকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারীরা। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে মৃত্যুর আসল কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে (Youth Death)।
অন্যদিকে, আর একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে শহরের আরজি কর হাসপাতালে। সেখানে ট্রমা কেয়ার ভবনের একটি লিফটে আটকে মৃত্যু হয়েছে নাগেরবাজারের এক বাসিন্দার। তিনি ছেলের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছিলেন। কিন্তু আচমকা এই দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে (Youth Death)।
পরিবারের দাবি, তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা লিফটের ভিতরে আটকে ছিলেন। বহুবার সাহায্যের জন্য চিৎকার করা হলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। তাঁদের অভিযোগ, রাতে হাসপাতালে লিফট থাকলেও কোনও কর্মী উপস্থিত থাকেন না। ফলে এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে।
অন্য রোগীর পরিজনেরাও জানিয়েছেন, লিফটটি আগে থেকেই খারাপ ছিল বলে পরে জানা যায়। কিন্তু সেই বিষয়ে কোনও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। এই ঘটনায় হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।













