নয় ঘণ্টা পেরিয়েও নিয়ন্ত্রণে এল না আনন্দপুরের ভয়াবহ আগুন (Kolkata Fire)। রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের একটি নামজাদা মোমো তৈরির কারখানায় আগুন লাগে। পরে জানা যায়, ওই গোডাউনে শুধু মোমো নয়, একটি ডেকরেটর্স সংস্থার কর্মীরাও কাজ করতেন। সেই কারখানাতেই ঘটে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। কার্যত জতুগৃহে পরিণত হয়েছে কলকাতার একাংশ (Kolkata Fire)।
গত কয়েক দিনে শহরে একের পর এক আগুনের ঘটনা ঘটলেও, আনন্দপুরের (Kolkata Fire) এই অগ্নিকাণ্ডকে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বলে মনে করছেন অনেকে। গভীর রাত থেকে টানা জ্বলছে গোটা কারখানা। সামনের দিকের আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও ভিতরের অংশে এখনও পৌঁছতে পারছেন না দমকলকর্মীরা। ১২টি ইঞ্জিন কাজ করলেও আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছনো যাচ্ছে না।
প্রথমে জানা গিয়েছিল, রাতের শিফটে মোমো সংস্থার তিন জন কর্মী কারখানার ভিতরে ছিলেন। আগুন লাগার (Kolkata Fire) পর তাঁরা গোডাউনেই আটকে পড়েন। এক কর্মীর পরিবারের দাবি, শেষবার ফোনে তিনি জানিয়েছিলেন যে কারখানার গেট বাইরে থেকে তালা দেওয়া ছিল। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত এই অগ্নিকাণ্ডে ১৩ জন নিখোঁজ এবং তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা। নিখোঁজদের মধ্যে তিন জন মোমো সংস্থার কর্মী এবং দশ জন ডেকরেটর্স সংস্থার কর্মী। যদিও এই সংখ্যা নিয়ে পুলিশ এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি দেয়নি। ফলে চূড়ান্ত তথ্য ঘিরে অনিশ্চয়তা রয়ে গিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে একজন হলেন পঙ্কজ হালদার। তিনি মোমো সংস্থার কর্মী হিসেবে নাইট শিফটে কাজ করছিলেন। সোমবার সকালে জ্বলন্ত কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর দাদা উৎকণ্ঠায় অপেক্ষা করছিলেন। চোখেমুখে আতঙ্ক স্পষ্ট। তিনি জানান, ভাইয়ের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। দমকল বা পুলিশের তরফ থেকেও এখনও কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।








