পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের বন্দর ঘিরে নৌ অবরোধের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Strait of Hormuz)। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে পাশে দাঁড়ায়নি আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলিও। ব্রিটেন ও ফ্রান্স স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তারা এই অবরোধে অংশ নেবে না।
ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, নির্দিষ্ট সময় থেকে ইরানের বন্দরগুলিতে ঢোকা ও বেরোনো সব জাহাজ আটকানো হবে। এই পদক্ষেপে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেছিলেন, অন্যান্য দেশও এই অবরোধে যোগ দেবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি (Strait of Hormuz)।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার জানিয়েছেন, কোনও চাপ থাকলেও তারা এই সংঘাতে জড়াতে চান না (Strait of Hormuz)। ফ্রান্সও একই অবস্থান নিয়েছে। তুরস্কও বলেছে, হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া উচিত এবং সমস্যা কূটনৈতিক পথে মেটানো প্রয়োজন।
এই ঘটনার ফলে আমেরিকা ও তার মিত্রদের মধ্যে মতবিরোধ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আগেও এই ধরনের নানা ইস্যুতে মতপার্থক্য দেখা গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, কিছু দেশ আমেরিকার সামরিক অভিযানে সমর্থন দেয়নি এবং তাদের আকাশপথ ব্যবহারের অনুমতিও দেয়নি (Strait of Hormuz)।
এদিকে ইরানও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, তাদের বন্দর বা উপকূলে কোনও আক্রমণ হলে তার জবাব দেওয়া হবে। ইরানের বক্তব্য, যদি তাদের বন্দর নিরাপদ না থাকে, তাহলে গোটা অঞ্চলের কোনও বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।
সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। হরমুজ প্রণালী ঘিরে এই টানাপোড়েন ভবিষ্যতে বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।











