চলতি বছরের ১১ জুন শুরু হতে চলেছে ফিফা বিশ্বকাপ। ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ বসবে আমেরিকা, মেক্সিকো এবং কানাডায়। কিন্তু তার আগেই বড় প্রশ্নের মুখে মেক্সিকোর (Mexico) নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন বন্দুকবাজের হামলায় রক্তাক্ত হয়ে উঠল মাঠ। এই ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। আহত হয়েছেন আরও ১২ জন।
ঘটনাটি ঘটেছে সেন্ট্রাল মেক্সিকোর (Mexico) গুয়ানাজুয়াটো রাজ্যে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, সালামানাকা শহরে একটি স্থানীয় ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন আচমকা হামলা চালায় বন্দুকবাজরা। গুলিবর্ষণে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১০ জনের। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয় (Mexico)। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত হামলাকারীদের পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশ ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু করেছে।
গুয়ানাজুয়াটো মেক্সিকোর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল। এখানে বহু কারখানা রয়েছে। কিন্তু একই সঙ্গে এই রাজ্যটি মেক্সিকোর সবচেয়ে বিপজ্জনক এলাকাগুলির মধ্যেও পড়ে। বিভিন্ন সমাজবিরোধী গোষ্ঠীর দাপটে প্রায়ই এই রাজ্য রক্তাক্ত হয়ে ওঠে। খুন, হামলা এবং অপরাধমূলক ঘটনার জন্য বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে গুয়ানাজুয়াটো।
এর মধ্যেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। ১১ জুন বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আয়োজক মেক্সিকোর মুখোমুখি হওয়ার কথা দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০১০ সালের বিশ্বকাপও এই দুই দলের ম্যাচ দিয়েই শুরু হয়েছিল। ১৬ বছর পর ফের সেই ম্যাচ দিয়েই বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কথা। তার আগে আয়োজক দেশে এমন হিংসাত্মক ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চিন্তিত প্রশাসন।
উল্লেখ্য, চলতি মাসেই মেক্সিকোর এস্তাদিও অ্যাকরন স্টেডিয়ামের কাছে উদ্ধার হয়েছিল মানুষের দেহাংশ। এই স্টেডিয়ামই বিশ্বকাপের একটি ভেন্যু। শুধু তাই নয়, অ্যারোয়ো হন্ডো, লাস আগুজাস এবং লোমাস দেল রিফিউজো এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছিল ৪৫৬টি ব্যাগে ভরা দেহাংশ। তার পর এবার ফুটবল ম্যাচ চলাকালীন বন্দুকবাজের হামলা বিশ্বকাপের নিরাপত্তা নিয়ে আরও বড় প্রশ্ন তুলে দিল।








