দিল্লির আবগারি নীতি সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় বড় স্বস্তি পেল অরবিন্দ কেজরীবাল (Arvind Kejriwal) এবং মণীশ সিসোদিয়া। আদালত জানিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে দুজনকেই বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই আদালতের পর্যবেক্ষণ (Arvind Kejriwal)।
এই মামলার শুনানি হয় দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত এ। বিশেষ বিচারক জিতেন্দ্র সিং জানান, গুরুতর অভিযোগ প্রমাণ করতে নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রয়োজন, যা এই মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি (Arvind Kejriwal)। রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বরে আবেগঘন পরিস্থিতি তৈরি হয়। আদালত থেকে বেরিয়ে আবেগ সামলাতে না পেরে কেঁদে ফেলেন কেজরীবাল। তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরীবাল বলেন, সত্যের জয় হয়েছে।
দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল (Arvind Kejriwal)। প্রায় একশো কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারও হয়েছিলেন কেজরীবাল ও সিসোদিয়া। পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও বিধানসভা ভোটে খারাপ ফল করে আম আদমি পার্টি এবং ক্ষমতায় আসে ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মামলাই নির্বাচনে আপের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছিল।
আদালত জানিয়েছে, প্রমাণ ছাড়া কাউকে মূল অভিযুক্ত বলা যায় না। এতে বিচারব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। মণীশ সিসোদিয়ার ক্ষেত্রেও কোনও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মেলেনি বলে উল্লেখ করা হয়। আদালতের মতে, নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক পদক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে, অপরাধের নয়।
তবে তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তারা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবে। ফলে আইনি লড়াই এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি বলেই মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।








