Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • All
  • ঘড়িই শেষ পরিচয়! অজিত পওয়ারের দেহ শনাক্ত হল যে প্রতীক নিয়ে কাকার সঙ্গে যুদ্ধ ছিল
All

ঘড়িই শেষ পরিচয়! অজিত পওয়ারের দেহ শনাক্ত হল যে প্রতীক নিয়ে কাকার সঙ্গে যুদ্ধ ছিল

ajit pawar watch
Email :2

কাকা শরদ পওয়ারের সঙ্গে ‘ঘড়ি’ প্রতীক নিয়েই দীর্ঘদিনের লড়াই ছিল ভাইপো অজিত পওয়ারের (Ajit Pawar)। সেই লড়াই আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আদালত ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে এনসিপির নাম ও ঘড়ি প্রতীকের দখল পান অজিত পওয়ার (Ajit Pawar)। ঘটনাচক্রে, বুধবার বারামতিতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার পর সেই ঘড়িটিই হয়ে ওঠে অজিত পওয়ারের দেহ শনাক্ত করার একমাত্র সূত্র।

বুধবার সকালে বারামতিতে ভিএসআর ভেঞ্চার্সের লিয়ারজেট ৪৫ বিমানটি রানওয়েতে নামার সময় আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আছড়ে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, চার থেকে পাঁচটি বিস্ফোরণের তীব্রতায় বিমানটি মুহূর্তের মধ্যে আগুনের গোলায় পরিণত হয়। এই বিস্ফোরণে বিমানে থাকা আরোহীরা কার্যত ভস্মীভূত হয়ে যান (Ajit Pawar)।

উদ্ধারকারী দল ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সূত্রে জানা গিয়েছে, অজিত পওয়ারের (Ajit Pawar) দেহ এতটাই পুড়ে গিয়েছিল যে, প্রাথমিক ভাবে তাঁকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাঁর হাতে থাকা ঘড়িটিই পরিচয় নিশ্চিত করার একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়ায়। ওই ঘড়ি না থাকলে ডিএনএ পরীক্ষার দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়া তাৎক্ষণিক ভাবে অজিত পওয়ারকে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব হত বলেই জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২ জুলাই এনসিপিতে বিদ্রোহ করে শরদ পওয়ারের অমতে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন অজিত পওয়ার। সেই ঘটনার পর দল ভেঙে যায়। মামলা গড়ায় আদালতে। পরে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এনসিপির নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ঘড়ির বরাদ্দ যায় অজিত পওয়ারের গোষ্ঠীর হাতে। শরদ পওয়ারের নেতৃত্বাধীন দল পরিচিত হয় এনসিপি (শরদচন্দ্র পওয়ার) নামে এবং তাদের প্রতীক হয় ‘তুতারি’।

ফ্লাইটরেডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মুম্বই থেকে বারামতির উদ্দেশে রওনা দেয় অজিত পওয়ারের বিমান। সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে কিছু সময়ের জন্য বিমানের সংকেত বন্ধ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর ফের সংকেত মিললেও সকাল ৮টা ৪৩ মিনিটে আবার সব যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সময়েই বিমানটি ভেঙে পড়ে।

বিমানে অজিত পওয়ার-সহ মোট পাঁচ জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জন ছিলেন উপমুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী এবং বাকি দু’জন ছিলেন বিমানকর্মী। অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় পাঁচ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। কী কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে ডিজিসিএ-র একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বারামতি বিমানবন্দরে পাঠানো হচ্ছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts