Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • ট্রাম্পের বড় চাল! ভাইস প্রেসিডেন্টকে পাঠালেন পাকিস্তানে, শুরু হতে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
বিদেশ

ট্রাম্পের বড় চাল! ভাইস প্রেসিডেন্টকে পাঠালেন পাকিস্তানে, শুরু হতে চলেছে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা

jd vance 2
Email :4

যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই এবার কূটনৈতিক পথে এগোতে চাইছে আমেরিকা। সেই লক্ষ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলকে পাকিস্তানে পাঠাচ্ছেন (Middle East Crisis)। এই দলে নেতৃত্ব দেবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। শনিবার ইসলামাবাদে শুরু হবে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে প্রথম দফার বৈঠক।

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বৈঠকে ভ্যান্সের সঙ্গে থাকবেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফ (Middle East Crisis)। এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর দুই দেশ সরাসরি আলোচনায় বসতে চলেছে।

মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য, সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের ফলে ইরানের শক্তি অনেকটাই কমে গিয়েছে। বিশেষ করে, বিভিন্ন গোষ্ঠীকে অস্ত্র দেওয়ার ক্ষমতা কমেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই আলোচনায় বসতে চাইছে আমেরিকা (Middle East Crisis)।

এদিকে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে আমেরিকা। এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহণ হয়। তাই কোনও ধরনের বাধা বা শুল্ক ছাড়াই এই পথ খোলা রাখতে চায় ওয়াশিংটন। যদিও এই মুহূর্তে পুরো পরিস্থিতি এখনও স্পষ্ট নয়।

জানা গিয়েছে, ইরানের আগের একটি প্রস্তাব আমেরিকা পুরোপুরি খারিজ করে দিয়েছিল। তবে সম্প্রতি নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান, যা নিয়ে আলোচনা এগোতে পারে। দুই দেশের মধ্যে এই নতুন প্রস্তাবকে ঘিরেই এখন আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এর মধ্যেই ট্রাম্প ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথাও বলেছেন। পাশাপাশি চিনের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে আমেরিকা। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

সূত্রের খবর, ইরান নাকি তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করার ব্যাপারেও আলোচনা করতে রাজি হতে পারে। এই বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে বড় বিতর্কের কারণ ছিল।

সব মিলিয়ে যুদ্ধের উত্তাপের মধ্যেই আলোচনার এই উদ্যোগ কতটা সফল হবে, তা নিয়ে এখন গোটা বিশ্বের নজর ইসলামাবাদের বৈঠকের দিকে। এই বৈঠক থেকেই কি নতুন সমাধানের পথ বেরোবে, সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts