Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • বিদেশ
  • ট্রাম্পের ঘোষণায় ইজরায়েলে ঝড়! নিজের দেশেই চাপে নেতানিয়াহু
বিদেশ

ট্রাম্পের ঘোষণায় ইজরায়েলে ঝড়! নিজের দেশেই চাপে নেতানিয়াহু

israel pm benjamin netanyahu
Email :4

ইরান সংঘাত নিয়ে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরই ইজরায়েলের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Benjamin Netanyahu) বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিরোধীরা।

ইজরায়েলের বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিড সরাসরি নেতানিয়াহুকে (Benjamin Netanyahu) আক্রমণ করে বলেছেন, দেশের ইতিহাসে এত বড় রাজনৈতিক ব্যর্থতা আগে কখনও দেখা যায়নি। তাঁর অভিযোগ, দেশের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ইজরায়েলকে আলোচনার টেবিলেই রাখা হয়নি। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করেছে এবং সাধারণ মানুষও কঠিন পরিস্থিতিতে দৃঢ় থেকেছে, কিন্তু রাজনৈতিক ও কৌশলগত ভাবে ব্যর্থ হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

লাপিডের দাবি, নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, তার একটি লক্ষ্যও পূরণ হয়নি। তাঁর মতে, অহংকার, গাফিলতি এবং পরিকল্পনার অভাবের কারণে যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে বহু বছর সময় লাগবে।

এরই মধ্যে ইজরায়েল জানিয়েছে, তারা আমেরিকার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছে। দু’সপ্তাহের জন্য ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই যুদ্ধবিরতির মধ্যে লেবাননকে রাখা হয়নি বলে জানিয়েছে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শর্তসাপেক্ষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইরানকে অবিলম্বে হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে হবে এবং আমেরিকা, ইজরায়েল ও অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করতে হবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, এই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং আলোচনার সুযোগ তৈরি করা। ইজরায়েলও জানিয়েছে, তারা চায় ইরান ভবিষ্যতে পারমাণবিক বা ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত কোনও হুমকি তৈরি করতে না পারে।

এদিকে জানা গিয়েছে, আগামী দশ এপ্রিল ইসলামাবাদে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে। এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে মধ্যস্থতা করেছে পাকিস্তান। তবে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই চুক্তির মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

সব মিলিয়ে যুদ্ধবিরতির পরেও পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত। একদিকে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতাও বাড়ছে। ফলে এই যুদ্ধবিরতি কতদিন স্থায়ী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts