যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হলেও পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। বরং নতুন করে উদ্বেগ বাড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। যুদ্ধ থামানোর কথা বললেও এবার তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন বিশ্বের অন্যান্য দেশকে। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যদি কোনও দেশ ইরানকে অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে, তবে সেই দেশের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে (Donald Trump)।
বুধবার সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প এই বার্তা দেন। তিনি বলেন, ইরানকে সামরিক সহায়তা দিলে কোনও দেশকেই ছাড় দেওয়া হবে না (Donald Trump)। এই ঘোষণার পরই আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধের প্রভাব এখনও কাটেনি, তার মধ্যেই যদি নতুন করে শুল্কযুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতির উপর বড় প্রভাব পড়তে পারে।
এর আগে ভারতীয় সময় অনুযায়ী বুধবার ভোরে ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে দু’সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেন। জানা গেছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আমেরিকা ইরানের উপর কোনও সামরিক হামলা চালাবে না। অন্যদিকে, ইরান শর্তসাপেক্ষে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে রাজি হয়েছে।
সূত্রের খবর, আগামী ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে চলেছে। এই বৈঠকে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি নিয়ে আলোচনা হবে। এই প্রস্তাবে ইজরায়েলও সমর্থন জানিয়েছে বলে জানা গেছে (Donald Trump)।
অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই যুদ্ধবিরতির ক্ষেত্রে পাকিস্তান বড় ভূমিকা নিয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছিল। তখন চিন হস্তক্ষেপ করে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করে। এরপরই দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই এই সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছেন বলে খবর।
যুদ্ধ আপাতত থামলেও নতুন করে শুল্ক হুঁশিয়ারিতে বিশ্ব রাজনীতি আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এখন দেখার, এই পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়।













