নাজিরাবাদে (Anandapur Fire) বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে সাতাশ দিন। অবশেষে মৃত আঠারো জনের পরিবারের হাতে দেহাংশ তুলে দেওয়া হল। শনিবার দুপুরে কাঁটাপুকুর মর্গ থেকে দেহাংশ হস্তান্তর করা হয়। এখনও পর্যন্ত নয় জনের ডিএনএ নমুনা মেলেনি বলে প্রশাসন জানিয়েছে এবং তাঁদের পরিবারকে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে।
পরিবারের কেউ পেয়েছেন কাপড়ে মোড়া হাড়ের টুকরো (Anandapur Fire), কেউ আবার পেয়েছেন মাথার খুলির অংশ। সেই সামান্য দেহাংশ নিয়েই কান্নায় ভেঙে পড়ে বাড়ি ফিরেছেন স্বজনেরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁদের নমুনা মিলেছে তাঁদের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের ষোলো জন, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বারুইপুরের একজন এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের একজন রয়েছেন।
শনিবার সকালে মৃতদের পরিবারের সদস্যরা নরেন্দ্রপুর থানায় আসেন (Anandapur Fire)। তদন্তকারী আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁরা কাঁটাপুকুর মর্গে যান এবং সেখান থেকেই অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের দেহাংশ গ্রহণ করেন।
ঘটনার প্রায় এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও মৃত্যুর শংসাপত্র মেলেনি বলে অভিযোগ (Anandapur Fire)। নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত থেকেই শংসাপত্র দেওয়ার কথা থাকলেও দূরবর্তী জেলার পরিবারের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তাই নিজ নিজ এলাকায় শংসাপত্র দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্বজনেরা। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আইনি জটিলতার কারণে সরকারি ক্ষতিপূরণ এখনও মেলেনি। তবে বেসরকারি সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ডিএনএ মিল সম্পূর্ণ হলে প্রত্যেক পরিবারকে সরকারি আর্থিক সাহায্য এবং পরিবারের একজন সদস্যকে চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে।










