পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম এলাকায় রাস্তা নির্মাণ ঘিরে অদ্ভুত ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে (Ketugram)। পথশ্রী প্রকল্পে ঢালাই রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়েছিল এবং নির্দিষ্ট অংশে কংক্রিটের মশলাও ফেলা হয়। কিন্তু কাজ চলাকালীন হঠাৎ একটি রহস্যজনক ফোন আসে বলে অভিযোগ (Ketugram)। তার পরেই ঠিকাদারের শ্রমিকেরা মাপজোক করে প্রায় কুড়ি মিটার অংশের ঢালাই করা মশলা আবার তুলে নেন। সরকারি প্রকল্পে ঢালাই করা রাস্তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তুলে নেওয়ার ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে এবং শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।
ঘটনাটি নবগ্রাম পঞ্চায়েত-এর কাঁকুরহাটি গ্রামে (Ketugram)। একটি ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, রাস্তার ওপর ফেলা কংক্রিটের মশলা তুলে নেওয়া হচ্ছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এলাকায় অনেকেই বিজেপি সমর্থক হওয়ায় শাসকদলের চাপে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং ঢালাই করা অংশ তুলে নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে ওই এলাকার একটি বুথে বিজেপি অল্প ভোটে এগিয়ে ছিল বলেও দাবি করেছেন বাসিন্দাদের একাংশ।
স্থানীয় বাসিন্দা ভবানী ঘোষ ও মানবী ঘোষদের অভিযোগ, তাঁদের পরিবারের সদস্যরা বিজেপি করায় সরকারি কাজে বৈষম্য করা হয়েছে (Ketugram)। প্রিয়াঙ্কা ঘোষ ও তনুশ্রী ঘোষদের কথায়, রাস্তার কাজ অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়ায় একাধিক পরিবার সমস্যায় পড়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রায় এক লক্ষ বারো হাজার টাকার বেশি ব্যয়ে গলিপাড়ায় সত্তর মিটার ঢালাই রাস্তা তৈরির জন্য টেন্ডার হয়েছিল। প্রথমে পুরো অংশে কাজ শুরু হলেও পরে কুড়ি মিটার অংশ বাদ পড়ে যায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
যদিও পঞ্চায়েতের সদস্য খোকন থান্দার দাবি করেছেন, পঞ্চাশ মিটার রাস্তা তৈরির জন্যই অর্থ বরাদ্দ ছিল এবং সেই অনুযায়ী কাজ হয়েছে। তিনি জানান, বিতর্ক তৈরি হলে পরে বাকি অংশের কাজও করা হতে পারে। ঘটনার জেরে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।







