ভিনরাজ্যে বসবাসকারী প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী (Dipanjan Chakraborty) সম্প্রতি ঢাকঢোল পিটিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। কিন্তু যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গেরুয়া শিবিরের অন্দরে শুরু হয় বিতর্ক। আদি বিজেপি কর্মীদের একাংশ সামাজিক মাধ্যমে তাঁর পুরনো মোদি বিরোধী পোস্ট ও কার্টুন সামনে আনেন (Dipanjan Chakraborty)। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে কটাক্ষ করে নানা পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেই সব পোস্ট ভাইরাল হতেই দলীয় অন্দরে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
আদি বিজেপি কর্মীদের দাবি, দীপাঞ্জন (Dipanjan Chakraborty) দীর্ঘদিন মহারাষ্ট্রে বসে বিভিন্ন মাধ্যমে বাংলার বিরুদ্ধে কুৎসা করেছেন এবং বঙ্গ সংস্কৃতি সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণা নেই। ভোটের আগে হঠাৎ দলে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক সুযোগ খোঁজার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে সামাজিক মাধ্যম থেকে বেশ কিছু পোস্ট মুছে ফেললেও অন্য একটি মাধ্যমে সেই মন্তব্যের অনেকটাই রয়ে গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
দুই হাজার বাইশ সালের বাইশে ফেব্রুয়ারি একটি পোস্টে তিনি ডেরা প্রধান গুরমিত রাম রহিম-কে নিরাপত্তা দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রশ্ন করেছিলেন (Dipanjan Chakraborty)। একই বছরের কুড়ি মার্চ জয় শ্রীরামের পালটা জয় বাবা ফেলুনাথ মন্তব্য করে বিজেপিকে কটাক্ষ করেন বলেও অভিযোগ। হায়দরাবাদের একটি মূর্তি ও চিন প্রসঙ্গ টেনে ফেব্রুয়ারির পাঁচ তারিখেও তিনি আক্রমণাত্মক পোস্ট করেছিলেন বলে দাবি উঠেছে।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে কেন্দ্রের আট বছরের শাসন নিয়ে কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্য করেন দীপাঞ্জন। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু-র ছবি ব্যবহার করে তিনি বিদ্রূপাত্মক পোস্ট করেছিলেন বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে বিপ্লবী নেতা চে গুয়েভারা-র ছবি পোস্ট করে বামপন্থী ভাবধারার প্রতি তাঁর সহানুভূতির ইঙ্গিত মিলেছে বলেও দাবি আদি বিজেপি কর্মীদের। জাতীয়তাবাদ, অর্থনীতি ও বেকারত্ব নিয়ে কার্টুন পোস্ট করেও তিনি বিজেপিকে আক্রমণ করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে দীপাঞ্জনের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।












