Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • কুণালের পাশেই অস্বস্তিকর মন্তব্য! নতুন তৃণমূল নেতার মুখে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ইস্যু
রাজ্য

কুণালের পাশেই অস্বস্তিকর মন্তব্য! নতুন তৃণমূল নেতার মুখে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ইস্যু

Lakshmir Bhandar a
Email :3

তৃণমূলে যোগ দিয়েই দলকেই অস্বস্তিতে ফেললেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা চন্দন মণ্ডল। যোগদান মঞ্চে বসেই তিনি অভিযোগ করলেন, ময়না এলাকায় এখনও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmi Bhandar) প্রকল্পের ৫ থেকে ৬ মাসের টাকা বকেয়া রয়েছে। তাঁর এই মন্তব্যে জেলায় শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা।

তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ এবং মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য-এর পাশে বসেই চন্দন বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmi Bhandar) অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মায়েরা প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অর্থ পান। যাঁদের টাকা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, তাঁরা সমস্যায় ছিলেন বলেও জানান তিনি। চন্দনের দাবি, বিষয়টি নিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে চিঠি লিখেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন দ্রুত টাকা দেওয়া হবে। অনেকেই টাকা পেয়েছেন, তবে এখনও ৫ থেকে ৬ মাসের বকেয়া রয়ে গিয়েছে বলে তাঁর দাবি। দ্রুত সেই টাকা মিটিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান তিনি।

চন্দনের এই বক্তব্যে অস্বস্তি তৈরি হলেও দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, কিছু ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রযুক্তিগত কারণে নির্দিষ্ট এলাকা বা বুথে কিছু প্রকল্পের টাকা ঢুকতে দেরি হয়েছে। তবে এর বাইরে কোনও বড় সমস্যা নেই বলেই দাবি তাঁর।

অন্যদিকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, এই বিষয়ে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmi Bhandar) প্রকল্পে বিজেপি বা তৃণমূল বলে কোনও বিভাজন নেই। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার মহিলারা ঠিকভাবে ফর্ম পূরণ করেছেন কি না বা দুয়ারে সরকার শিবিরে গিয়েছেন কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁর দাবি, বাংলার কোনও মহিলা বলতে পারবেন না যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বড় ধরনের সমস্যা হয়েছে।

তবে নতুন দলে যোগ দিয়েই এমন অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বকেয়া ইস্যু কি নতুন করে বিতর্ক বাড়াবে, নাকি প্রশাসনিক ব্যাখ্যাতেই মিটবে জল্পনা, এখন সেটাই দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts