বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হল উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা (HS Examination)। এই প্রথম সেমিস্টার ভিত্তিক পদ্ধতিতে পরীক্ষা হচ্ছে। সকাল ৯টা ৫০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা। তবে এবারের উচ্চমাধ্যমিক (HS Examination) আগের বছরের তুলনায় কিছুটা আলাদা। এটি চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা এবং এখানে ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন থাকবে।
কিন্তু পরীক্ষা শুরুর দিনেই পড়ুয়া ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে দেখা গেল অসন্তোষ (HS Examination)। তাঁদের অভিযোগ, সিলেবাস পুরো শেষ হওয়ার আগেই পরীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেকের মতে, পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সময় পাওয়া যায়নি।
পড়ুয়াদের দাবি, সেপ্টেম্বরের শেষে তৃতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা হয়েছিল। তারপরই শুরু হয় দুর্গাপুজোর ছুটি। পুজোর দীর্ঘ ছুটির কারণে পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটে। ফলে চতুর্থ সেমিস্টারের জন্য আলাদা করে প্রস্তুতির সময় কমে যায়। তার উপর নভেম্বর মাসে বই হাতে পেয়েছে অনেকেই। ফলে মাত্র দু’মাসের প্রস্তুতিতে পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে পড়ুয়াদের।
বৃহস্পতিবার বাংলা পরীক্ষার (HS Examination) মাধ্যমে শুরু হয়েছে চতুর্থ সেমিস্টার। পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে অনেকেই জানান, আরও কিছু সময় পেলে প্রস্তুতি ভাল হত। এক পরীক্ষার্থী অর্ণব দে বলেন, চল্লিশ নম্বরের জন্য পরীক্ষা দিচ্ছি। এবার ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন রয়েছে। আমাদের যদি একটু বেশি সময় দেওয়া হত, তাহলে প্রস্তুতি আরও ভাল হতে পারত।
এক অভিভাবক বলেন, বই সময়মতো দেওয়া উচিত ছিল। অনেক পড়ুয়াকেই পিডিএফ দেখে পড়াশোনা করতে হয়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সেমিস্টারের পড়াশোনাও অনেকে পিডিএফের উপর নির্ভর করে করেছে। নভেম্বরের শেষে বই হাতে পেয়েছে। তার পরেই ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষা শুরু হয়ে গেল। এতে পড়ুয়াদের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয়নি বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, সবার পক্ষে বেসরকারি টিউশন বা আলাদা সাহায্য নেওয়া সম্ভব নয়। তাই পড়াশোনার বিষয়ে আরও নজর দেওয়া উচিত।
নতুন পদ্ধতিতে সেমিস্টার ভিত্তিক উচ্চমাধ্যমিক শুরু হলেও প্রস্তুতি, সিলেবাস এবং সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এখন দেখার, এই অভিযোগ নিয়ে শিক্ষাদপ্তর কী পদক্ষেপ করে।










