Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • বাংলায় কথা বলাতেই পিটিয়ে হত্যা? মহারাষ্ট্রে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুতে ক্ষোভ, সরব মুখ্যমন্ত্রী
রাজ্য

বাংলায় কথা বলাতেই পিটিয়ে হত্যা? মহারাষ্ট্রে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুতে ক্ষোভ, সরব মুখ্যমন্ত্রী

mamata banerjees
Email :6

মহারাষ্ট্রের পুণেতে কাজ করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন পুরুলিয়ার পরিযায়ী শ্রমিক সুখেন মাহাতো। অভিযোগ, বাংলায় কথা বলার কারণেই তাঁকে মারধর করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। একই সঙ্গে তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সুখেন মাহাতোর বয়স ছিল ৩১ বছর। তাঁর বাড়ি পুরুলিয়ার জঙ্গলমহলের বরাবাজার এলাকার তুমড়াশোলের বাঁধডিতে। তিনি পুরুলিয়ার ৭৮ নম্বর বুথের ভোটার। কাজের সূত্রে মহারাষ্ট্রের পুণেতে থাকতেন। সেখানে একটি গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানায় নিজের দাদা তুলসিরাম মাহাতোর সঙ্গে কাজ করতেন তিনি।

অভিযোগ (Mamata Banerjee), শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্যই তাঁকে লক্ষ্য করে অত্যাচার করা হয়। কুড়মি জনজাতির এই পরিযায়ী শ্রমিককে মারধর করে খুন করা হয়েছে বলে পরিবারের দাবি। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও সরকারি ভাবে কিছু জানায়নি মহারাষ্ট্র পুলিশ।

জানা গিয়েছে, পুণের কোরেগাঁও ভিম এলাকার সনৎ বাড়ি অঞ্চলে ছিল তাঁর কর্মস্থল। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার শিফটে কাজে যোগ দেন সুখেন। পরে কর্মস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
বুধবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানা গিয়েছে। পুণের শিকারপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে। কী কারণে এই মৃত্যু, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, এক যুবককে তাঁর ভাষা, পরিচয় এবং শিকড়ের জন্য অত্যাচার করা হয়েছে এবং শেষে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে হবে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। সুখেনের পরিবারের উদ্দেশে তিনি জানান, এই কঠিন সময়ে পুরো বাংলা তাঁদের পাশে রয়েছে।

এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। ভাষা ও পরিচয় নিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। এখন সকলের নজর মহারাষ্ট্র পুলিশের তদন্তের দিকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts