Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • দেশ
  • একটি দোকানের নামেই উত্তাল কোতদ্বার, কীভাবে ছড়িয়ে পড়ল সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা?
দেশ

একটি দোকানের নামেই উত্তাল কোতদ্বার, কীভাবে ছড়িয়ে পড়ল সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা?

uttarakhand a
Email :3

উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) কোতদ্বারে একটি ছোট পোশাকের দোকানের নাম ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্ক ধীরে ধীরে বড় আকারের আইনশৃঙ্খলা সমস্যায় পরিণত হয়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পথে নামা আন্দোলন, পাল্টা অভিযোগ, সামাজিক মাধ্যমে প্রচার এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে শহর জুড়ে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, টানা মধ্যস্থতা, ফ্ল্যাগ মার্চ এবং কড়া নজরদারির মাধ্যমে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছে কোতদ্বারের পটেল মার্গে (Uttarakhand) অবস্থিত একটি পোশাকের দোকান। দোকানটির মালিকের নাম মহম্মদ শোয়েব। দোকানটির নাম রাখা হয়েছিল ‘বাবা’। এই নাম নিয়েই আপত্তি তোলে স্থানীয় বজরং দলের কর্মীরা। তাঁদের দাবি, ‘বাবা’ শব্দটি শহরের জনপ্রিয় সিদ্ধবলী বাবার হনুমান মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত। একজন মুসলিম দোকানদার এই নাম ব্যবহার করলে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে।

প্রায় আড়াই মাস আগে প্রথম এই নিয়ে আপত্তি জানানো হয় (Uttarakhand)। বজরং দলের পক্ষ থেকে শোয়েবকে দোকানের নাম বদলানোর দাবি জানানো হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তখন শোয়েব বলেছিলেন, তিনি দোকান অন্য জায়গায় সরানোর পর নাম পরিবর্তন নিয়ে ভাববেন। সেই আশ্বাসে আপাতত পরিস্থিতি শান্ত হয়।

জানুয়ারির মাঝামাঝি শোয়েব তাঁর দোকানটি আগের জায়গা থেকে প্রায় ৩০-৪০ মিটার দূরে সরান। কিন্তু নতুন জায়গাতেও দোকানের নাম ‘বাবা’ রাখা হয়। এতেই নতুন করে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বজরং দলের কর্মীদের অভিযোগ, শোয়েব কথা রাখেননি। শুরু হয় নতুন করে বিক্ষোভ, যা দ্রুত তীব্র আকার নেয় (Uttarakhand)।

গত ২৮ জানুয়ারি প্রথম বড়সড় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। শোয়েবের দোকানের সামনে জমায়েত করা বজরং দলের কর্মীদের সঙ্গে তাঁর এবং তাঁর সহযোগীদের ঝামেলা বাধে। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন দীপক কুমার নামে এক জিম মালিক। উত্তেজনা বাড়তে দেখে তিনি হস্তক্ষেপ করেন। এই ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তেজিত জনতা তাঁর পরিচয় জানতে চাইলে দীপক বলেন, “আমার নাম মহম্মদ দীপক।” এই একটি মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি আরও বড় হয়ে ওঠে। এরপর পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে কোতদ্বারের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তবে নজরদারি চালু থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts