কাঁকুলিয়ার বোমাবাজির (Kakulia Bombing) ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১৬। মঙ্গলবার এই ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একজন বাবু সোনা ওরফে রাহুল দাস। তিনি কুখ্যাত সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। অন্য ধৃতের নাম শুভঙ্কর রায়। পুলিশ সূত্রের খবর, এই দু’জনই পাপ্পুর শাগরেদ হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
রবিবার রাতে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে ভয়াবহ উত্তেজনা ছড়ায় (Kakulia Bombing)। অভিযোগ, ওই রাতে দুষ্কৃতীদের মধ্যে বোমাবাজি হয় এবং গুলিও চালানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত পাপ্পু সোনার নেতৃত্বেই এই তাণ্ডব চলে। এমনকি তাঁর মাথার উপর শাসক দলের প্রভাবশালী নেতাদের হাত রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই বাবু সোনা ও শুভঙ্কর রায় গা ঢাকা দিয়েছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার তাঁদের একটি গোপন আস্তানা থেকে গ্রেফতার করা হয় (Kakulia Bombing)। এখন ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল অভিযুক্ত পাপ্পু সোনার খোঁজ পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এখনও পর্যন্ত পাপ্পুর নাগাল পায়নি তদন্তকারীরা।
যদিও পুলিশি ধরপাকড়ের মধ্যেই ফেসবুক লাইভে এসে মুখ খুলেছেন সোনা পাপ্পু। তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার দিন তিনি বাড়িতেই ছিলেন এবং সেই প্রমাণ তাঁর কাছে রয়েছে। পাশাপাশি লাইভে তিনি বলেন, তাঁর বাবার তিনটি সোনার দোকান রয়েছে এবং তাঁরা কোনও অপরাধমূলক কাজে যুক্ত নন।
ঘটনার দিন এলাকায় যান ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চৈতালি চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর স্বামী তথা ৯১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। সেখানে পৌঁছনোর পর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় মহিলারা। কাঁকুলিয়ার এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে এবং পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।












