এসআইআরের শুনানির নোটিস থেকে বাদ পড়লেন না ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকীও (Twaha Siddiqui)। নোটিস পেয়ে মঙ্গলবার তিনি হাজির হন শুনানিতে। গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন ত্বহা। তাঁর দাবি, নথিপত্র জমা দেওয়ার পর আধিকারিকরা কাগজ দেখেই শুধু মুচকি হেসেছেন। যদিও যে হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে, তার জবাব ভোটেই দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি (Twaha Siddiqui)। তবে সেই জবাব বিজেপি পাবে না তৃণমূল, সে প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দেননি পীরজাদা।
শুনানির পরে ত্বহা সিদ্দিকী (Twaha Siddiqui) বলেন, এসআইআরের নাম করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক দলগুলি আসলে একে অপরের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, একজন সাপ হয়ে কামড়াচ্ছে, আর একজন ওঝা হয়ে ঝাড়ছে।
পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে ত্বহা ব(Twaha Siddiqui) লেন, তাঁর পরিবারের ইতিহাস শুধু এ রাজ্যেই নয়, বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ জানেন। তার পরেও তাঁকে এসআইআরের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিজেপি ও তৃণমূল মানুষের সঙ্গে কী করছে, তা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি মনে করে মুসলিমরা তাদের ভোট দেয় না বলেই মুসলিমদের নোটিস পাঠানো হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তাঁরাই কোনও দলকে অন্ধভাবে ভোট দেন না। তৃণমূল বা সিপিএম কাউকেই নয়, যারা উন্নয়ন করে, তাদের পক্ষেই তাঁরা থাকেন।
ত্বহা (Twaha Siddiqui) আরও বলেন, ভোটের সময় রাজনৈতিক নেতারা তাঁদের কাছে আত্মীয়ের মতো হয়ে যান, আর ভোট মিটলেই দূরে সরে যান। ২০২৬ সালের ভোটে মানুষ সব বুঝে নেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শুনানিতে কোনও অসুবিধা হয়নি বলেই দাবি ত্বহার। তিনি বলেন, সমস্ত কাগজপত্র বৈধ থাকায় তিনি নিশ্চিন্ত মনে শুনানিতে হাজির হয়েছেন। তাঁর কথায়, আধিকারিকরা কাগজ দেখে শুধু হেসেছেন, কোনও প্রশ্ন করেননি। ওরাও যে সমস্যার মধ্যে আছে, সেটা বোঝা যাচ্ছে বলেই মন্তব্য করেন তিনি। শেষে ত্বহার দাবি, সব পরিকল্পনাই শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যাবে।











