গতবারের মতো এ বছরও সরস্বতী পুজো কে করবে, তা নিয়েই অশান্তির পরিস্থিতি তৈরি হল যোগেশচন্দ্র চৌধুরী (Yogesh Chandra College) কলেজে। কলেজে প্রাক্তন ছাত্রদের দাপটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাতেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ। অধ্যক্ষের ঘরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনাও সামনে আসে। এবার অভিযোগের তির বর্তমান পড়ুয়াদের দিকেই। অভিযোগ উঠেছে, গত বছর কলেজের বাইরে পুজো হলেও এ বছর কলেজের ভিতরেই সাব্বির গোষ্ঠীর দাপট চলছে (Yogesh Chandra College)।
যাঁর বিরুদ্ধে গত বছর অভিযোগ উঠেছিল, সেই সাব্বির আলির প্রভাব এখনও কলেজে রয়েছে বলে দাবি পড়ুয়াদের একাংশের। বহিরাগত হয়েও সাব্বিরের কলেজে ঢোকা নিয়ে আপত্তি জানান বর্তমান পড়ুয়ারা। সেই অভিযোগ কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলেই অভিযোগ (Yogesh Chandra College)।
গত বছরের ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বছরও সরস্বতী পুজো কে করবে, তা নিয়ে কলেজে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। যদিও কলেজ (Yogesh Chandra College) সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এই সমস্যার সমাধানে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। তাঁর মধ্যস্থতায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, একই ক্যাম্পাসে দু’টি পুজো হবে। কলেজ গেটের সামনে ডে কলেজের পুজো এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে ল’ কলেজের পুজো হবে।
তবে অভিযোগ উঠেছে, এ বছর দু’টি পুজোরই নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সাব্বির গোষ্ঠীর হাতে। সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে এই প্রথম অশান্তি নয়। গত বছর পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়েছিল যে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত আদালতের নির্দেশে কলেজে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করে পুজো অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের ভিতরে ও বাইরে সর্বত্র পুলিশ পাহারা ছিল। তখনও সাব্বিরের বিরুদ্ধেই একাধিক অভিযোগ ওঠে। মূল প্রশ্ন ছিল, বহিরাগত হয়েও কীভাবে কলেজে তাঁর এত প্রভাব।
সাব্বির গোষ্ঠীর দাবি, পুজো শান্তিপূর্ণভাবেই হবে এবং কোথাও কোনও সমস্যা তৈরি হবে না। অন্যদিকে কলেজের অধ্যক্ষা সুনন্দা গোয়েঙ্কা বলেন, পুজো ছাত্রদের বিষয়। বর্তমান ছাত্রদের দাবিদাওয়া খতিয়ে দেখা হবে। আইন মেনে পুজো হবে এবং প্রাক্তন ছাত্ররাও পুজোয় অংশ নেবেন।









