সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করেন। পাশাপাশি তুলে ধরেন বাংলাদেশে গ্রেফতার হওয়া সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের প্রসঙ্গ। শুভেন্দুর অভিযোগ, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ দিকে এগোচ্ছে (Suvendu Adhikari)।
শুভেন্দু বলেন (Suvendu Adhikari), দেশভাগের সময় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩৩ শতাংশ। এখন তা কমে ৭ শতাংশে নেমে এসেছে বলে তাঁর দাবি। তিনি অভিযোগ করেন, একজন বৈষ্ণব সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে ফাঁসির পথে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলকেও আক্রমণ করেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য, ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় এসে টাটাকে রাজ্য ছাড়তে বাধ্য করেছিল। ২০১৬ সালে চাকরি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। তাঁর আশঙ্কা, ২০২৬ সালে যদি এই সরকার ফের ক্ষমতায় আসে, তবে রাজ্যে হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়বে। শুভেন্দুর দাবি, ওপারে বাংলাদেশে ইউনূস প্রশাসন যা করছে, এপারে পশ্চিমবঙ্গে একই কাজ করছে রাজ্য সরকার।
এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়েও বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি স্বীকার করেন, এই প্রক্রিয়ায় কিছু সাধারণ মানুষের সমস্যা হচ্ছে। শুনানির নোটিস পেয়ে বহু ভারতীয় নাগরিক সমস্যায় পড়ছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী না করে সরাসরি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু।
তাঁর বক্তব্য, বিহারে এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন সেখানকার রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছিল। অথচ পশ্চিমবঙ্গে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ও মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বারবার চিঠি দিয়ে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর চাইলেও রাজ্য সরকার তা দেয়নি। শুভেন্দুর অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গা, মৃত ও ভুয়ো ভোটারদের বাঁচাতেই এই সহযোগিতা করা হয়নি। এর ফলেই সাধারণ মানুষের সমস্যা আরও বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।











