Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • কেন্দ্র ফান্ড বন্ধ করলেও ৮৮ ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট! জলপাইগুড়িতে মমতার বড় দাবি
জেলা

কেন্দ্র ফান্ড বন্ধ করলেও ৮৮ ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট! জলপাইগুড়িতে মমতার বড় দাবি

chief justice mamata banerjee a
Email :3

জলপাইগুড়িতে কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধন হল শনিবার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল, দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই ফের কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় সরব হন মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, দেশের গণতন্ত্রকে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচানো জরুরি। ইতিহাস ও ভূগোল যাতে সুরক্ষিত থাকে, সে দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, মিডিয়ার উচিত আগেভাগে কোনও বিষয়ে মিডিয়া ট্রায়াল না করা। সব তদন্তকারী সংস্থা যেন স্বচ্ছভাবে কাজ করে এবং আইনের শাসন বজায় থাকে, সেই দাবিও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, তিনি নিজের জন্য নয়, গণতন্ত্র ও বিচার ব্যবস্থার সুরক্ষার জন্যই এই কথা বলছেন।

মমতা (Mamata Banerjee) আরও বলেন, আজকের দিনে সংবিধান, দেশের মানুষ, বিচার ব্যবস্থা এবং মিডিয়া— এই চারটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা নতুন করে আইনের পেশায় আসছেন, তাঁরা অনেক সময় সব সুযোগ-সুবিধা পান না। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির দিকেও নজর দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

বিচার ব্যবস্থার পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার আদালতের জন্য বিপুল অর্থ খরচ করেছে। কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন ফান্ড বন্ধ করে দিলেও রাজ্য নিজেদের উদ্যোগে ৮৮টি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট, ৭টি পকসো কোর্ট এবং ১৯টি মানবাধিকার আদালত তৈরি করেছে বলে দাবি করেন তিনি। কলকাতা হাইকোর্টের জন্য রাজারহাটে জমি দেওয়ার কথাও স্মরণ করান মুখ্যমন্ত্রী।

জলপাইগুড়িতে সার্কিট বেঞ্চের উদ্বোধনকে ঐতিহাসিক দিন বলে উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই ভবন কলকাতা হাইকোর্টের থেকেও উন্নত। ৪০ একর জমির উপর প্রায় ৫০০ কোটি টাকা খরচ করে এই ভবন তৈরি হয়েছে। বিচারপতিদের জন্য রয়েছে ৮০টি আবাসন এবং প্রধান বিচারপতির জন্য আলাদা বাংলো। যাঁরা এই ভবন নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের শুভেচ্ছা জানান মুখ্যমন্ত্রী।

বক্তব্যের শেষে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষ আদালতের উপর ভরসা রাখে। আদালত মানুষের জন্য, মানুষের দ্বারাই পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। আদালত কোনও ভেদাভেদ বা ধর্মীয় বিভাজন দেখে না। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts