Shopping cart

TnewsTnews
  • Home
  • Important
  • মধ্যরাতে কি ইরানে ঝাঁপাবে আমেরিকা? ইরান ঘিরে ভয়ঙ্কর প্রস্তুতি ট্রাম্পের
বিদেশ

মধ্যরাতে কি ইরানে ঝাঁপাবে আমেরিকা? ইরান ঘিরে ভয়ঙ্কর প্রস্তুতি ট্রাম্পের

trump and us army
Email :4

রাতের অন্ধকারে আচমকা হামলা চালানোই ডোনাল্ড ট্রাম্পের পছন্দ। অতীতে এমন অভিযানের নজির রয়েছে। এবার প্রশ্ন উঠছে, ইরানের (Iran) ক্ষেত্রেও কি একই কৌশল নিতে চলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? সূত্রের খবর, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইরানে মার্কিন হামলা হতে পারে। পেন্টাগনের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে সম্ভাব্য হামলার পূর্ণ পরিকল্পনা দেখানো হয়েছে বলে দাবি (Iran)।

ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইরানের (Iran) আন্দোলনকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। সেই সঙ্গে কোন পথে, কীভাবে ইরানে হামলা চালানো যেতে পারে, তা নিয়ে সেনাবাহিনীর তরফে বিস্তারিত প্রেজেন্টেশন দেওয়া হয়েছে। সূত্রের দাবি, প্রথম দফায় ইরানের সেনা ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র এবং পরমাণু গবেষণাকেন্দ্র হতে পারে প্রধান লক্ষ্য।

এই মুহূর্তে ইরানের দিকে তাক করা রয়েছে তিনটি মার্কিন রণতরী এবং একটি সাবমেরিন। সবকটিতেই দূরপাল্লার মিসাইল হামলার ক্ষমতা রয়েছে। ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্যে আরও ভয়ংকর যুদ্ধজাহাজ নিয়ে আসছে আমেরিকা (Iran)। সব রণতরী থেকেই বিমান হামলা চালানো সম্ভব। জানা যাচ্ছে, মার্কিন এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার আব্রাহাম লিঙ্কনকেও ইরানের কাছাকাছি আনা হচ্ছে। এমনকি চিনের দিক থেকে মার্কিন রণতরী সরিয়ে ইরানের দিকে পাঠানো হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও যুদ্ধজাহাজ পৌঁছবে বলে খবর।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতিতে ইজরায়েলও এক ধাপ এগিয়েছে। সূত্রের দাবি, ইজরায়েলি সেনা ইতিমধ্যেই বিমান হামলার মহড়া শুরু করেছে। যুদ্ধ শুরু হলে আমেরিকাকে পূর্ণ সমর্থন দেবে তারা। উল্লেখ্য, মাসখানেক আগেই ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছিল। ফের সেই সংঘাত ভয়ংকর রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা।

অন্যদিকে, ইরানও সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। মার্কিন সাইবার হামলার আশঙ্কায় সরকারি দফতরগুলিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে। দেশজুড়ে যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি চলছে। ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ডের সেনাপ্রধান হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে একযোগে যুদ্ধের জন্য ইরান প্রস্তুত। তাঁর অভিযোগ, দেশের অন্দরে সরকার বিরোধী আন্দোলনে আমেরিকা ইন্ধন জোগাচ্ছে।

মার্কিন হামলার আশঙ্কায় ইরান ইতিমধ্যেই নিজেদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। জরুরি আন্তর্জাতিক বিমানের ওঠানামা ছাড়া অন্য কোনও দেশের বিমান প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সব ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগ কার্যত বন্ধ। কোনও হটলাইনও সক্রিয় নেই। কাতারের পর সৌদি আরবকেও সতর্ক করেছে আমেরিকা। মার্কিন ও ইউরোপীয় নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিকল্প হিসেবে তুরস্ক বা আর্মেনিয়ায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Related Tags:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Posts