চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের (IDCPC) ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সোমবার দিল্লিতে বিজেপি সদর দফতরে পৌঁছে পার্টি-টু-পার্টি সম্পর্ক আরও মজবুত করার বিষয়ে আলোচনা করেছে। দলটির নেতৃত্ব দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিভাগের উপমন্ত্রী সান হাইয়ান (India China Relation)।
বিজেপির বিদেশি বিষয়ক দফতের দায়িত্বে থাকা ডা. বিজয় চৌথাইওয়ালে জানিয়েছেন, চীনা প্রতিনিধিদল বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিংহসহ বিভিন্ন নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের পার্টি স্তরের সম্পর্ক উন্নয়নের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে (India China Relation)।
বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিংহ X-এ জানিয়েছেন (India China Relation), “আজ সান হাইয়ান, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের উপমন্ত্রী, বিজেপি সদর দফতরে এসেছেন। বৈঠকে আমরা আলোচনা করেছি কিভাবে বিজেপি ও চীনা পার্টির মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা যায়।”
চীনের ভারতীয় দূত শু ফেইহংও এই প্রতিনিধিদলে ছিলেন। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত-চীনের সম্পর্কের উন্নতির মধ্যে এটি প্রথম পার্টি-টু-পার্টি বৈঠক। এর আগে ২০০০-এর দশকের শেষের দিকে ও বিভিন্ন সময়ে বিজেপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে পার্টি স্তরের বৈঠক হয়েছে। কিছু সময়ে বিজেপির প্রতিনিধি দলও বেইজিং সফর করেছে।
IDCPC, যা ১৯৫১ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত হয়, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দায়িত্বে কাজ করে। এটি বিভিন্ন সময় পার্টি-টু-পার্টি বিনিময়, উচ্চস্তরের বৈঠক, ফোরাম, সংলাপ ও পরস্পর সফরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে থাকে।
২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারতের সঙ্গে চীনের সম্পর্কের উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। অক্টোবর ২০২৪-এ কাজান ব্রিকস সম্মেলনের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদি ও চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার এবং কূটনৈতিক ও সামরিক আলোচনার প্রক্রিয়া শক্তিশালী করার বিষয়ে সম্মত হন। এই সময় দুই দেশ কাইলাশ মনসারোভার যাত্রা পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেন এবং সরাসরি বিমান সংযোগও পুনরায় চালু করার ঘোষণা দেন। সম্প্রতি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যা দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক ধারা নির্দেশ করে।












