‘এটা একটা যুদ্ধ। হয় আমরা জিতব, নয়তো মরব।’ ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন যে কোনও অংশেই যুদ্ধের থেকে কম নয়, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সোমবার তাঁর তৈরি করা দলের ডিজিটাল যোদ্ধাদের নিয়ে একটি বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। সেই বৈঠক থেকেই ভোটের আগে কী করতে হবে আর কী করা যাবে না, তা স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দেন তৃণমূল সাংসদ।
এদিন অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস এমন কোনও কাজ করবে না যাতে দলের কর্মীদের মাথা নত করতে হয়। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, দল কীভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে, সেই কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। ডিজিটাল মাধ্যমে লড়াই করা কর্মীদের দায়িত্ব কী, সেটাও পরিষ্কার করে দেন অভিষেক। তাঁর কথায়, বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা করাই তাঁদের অন্যতম দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, যাঁরা ভাল কাজ করবেন, দল তাঁদের তুলে এনে যোগ্য জায়গায় বসাবে। তবে তার জন্য টানা ২৫০ দিন লড়াই চালিয়ে যেতে হবে (Abhishek Banerjee)।
ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ এদিন তৃণমূল কর্মীদের কাজের তুলনা করেন দেশের তিন বাহিনীর সঙ্গে। তিনি (Abhishek Banerjee) বলেন, যাঁরা ময়দানে ফেস্টুন বাঁধেন তাঁরা আর্মির মতো, সংগঠনের ভিত মজবুত করেন যাঁরা তাঁরা নেভি, আর ডিজিটাল যোদ্ধারা হলেন এয়ারফোর্স। যুদ্ধের আগে যেমন বাহিনীগুলি পরিকল্পনা করে এগোয়, তেমন ভাবেই ভোটের লড়াইয়ে নামতে হবে বলে নির্দেশ দেন তিনি।
ডিজিটাল যোদ্ধাদের উদ্দেশে অভিষেক বলেন, আগামী পাঁচ দিন কীভাবে লড়াই করতে হবে, তার স্পষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। পাঁচ দিনের স্ট্র্যাটেজি অনুযায়ী কাজ করে আবার নতুন পরিকল্পনা করতে হবে। এই ভাবেই একশো দিনের যুদ্ধের মতো ছকে এগোতে হবে। তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নানা মিম তৈরি হচ্ছে। যেখানে দলের বিরুদ্ধে মিম বা অপপ্রচার হবে, সেখানে যুক্তি দিয়ে, গঠনমূলক ভাবে পাল্টা জবাব দিতে হবে। আবেগ নয়, যুক্তিকেই হাতিয়ার করতে হবে—এই বার্তাই দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।











